জিয়ানগরে এক এএসআই পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছেন দুই মোটর সাইকেল আরোহিকে। শনিবার দুপুরে জিয়ানগর খেয়াঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
আহত রুহুল আমিন ও কবির জানান, ইন্দুরকানী থানার এএসআই হাসান হাসান টগড়া মোড় এলাকায় তাদের মোটর সাইকেলের গতিরোধ করেন। মাছ ব্যবসায়ী কবির (৩০) এএসআই হাসানকে বলেন ‘স্যার আমার মাছ নষ্ট হয়ে যাবে, আমাদেরকে যেতে দিন।’ এ সময় হাসান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন ‘তোদের কাছে যত টাকা পয়সা আছে সব রেখে দিব।’ হাসান অন্য একটি মোটর সাইকেলের গতি রোধ করতে গেলে তারা তাদের মোটর সাইকেলটি নিয়ে ভয়ে পালিয়ে স্থানীয় এক সাবেক ইউপি সদস্যের ঘরে আশ্রয় নেন। পরে এএসআই হাসান তাদেরকে না পেয়ে মোটর সাইকেলটির চাকার হাওয়া ছেড়ে দিয়ে চলে যান। কিছু সময় পর তারা তাদের মোটর সাইকেলটি নিয়ে জিয়ানগর খেয়া ঘাটের টগড়া প্রান্তে পৌঁছালে হাসান তাদেরকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন। এসময় তাদেরকে জনসম্মুখে ফিল্মি স্টাইলে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। কিন্তু আমাদের আটক না করে মোটর সাইকেলটি থানায় নিয়ে যান এএসআই হাসান।
গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করেন স্থানীয় কয়েকজন। পরে ইন্দুরকানী থানার কয়েক পুলিশ সদস্য স্থানীয় এক পল্লী চিকিত্সকের কাছে তাদের চিকিত্সার জন্য নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিত্সা শেষে আহতদের পিরোজপুর হাসপাতালে নিয়ে গেছেন দুই পুলিশ সদস্য।
রুহুল আমিন ও কবিরকে পেটানোর ঘটনা স্বীকার করে এএসআই হাসান বলেন, ‘আইন অমান্য করায় তাদের পেটানো হয়েছে। তাদের ধাওয়া করতে গিয়ে আমার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গেছে।’ এ বিষয়ে ইন্দুরকানী থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, আহতদের চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এএসআই হাসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
