প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৪, ২২:৫৮
গত ১৬ জুলাই ইত্তেফাকে প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘সরকারের ৫৩১ কোটি টাকা মেরে লাপাত্তা ৫ কোম্পানী’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ করেছে বেস্টেক টেলিকম লিমিটেড। প্রতিবাদে বলা হয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ভুয়া বলে যে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে তা ঠিক নয়। আর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বিটিআরসি তাদের ৩৯৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছে। যার বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানী মামলা করা হয়েছে। হঠাত্ করে বিটিআরসি তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারগুলো তাদের পাওনা টাকা দিতে গড়িমসি করছে। বিটিআরসির হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে তাদের প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হবার উপক্রম। প্রতিবেদকের বক্তব্য ঃ বেস্টেকের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের জন্য বিটিআরসি গত ৯ জুন গুলশান থানায় একটি ফৌজদারি মামলা করেছে। ওই মামলায় বলা হয়েছে, মালিককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আর গুলশান-১ নাম্বারের নাভানা টাওয়ারে ছিল তাদের প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা। এখন ওই প্রতিষ্ঠানের অফিসে তালা ঝুলছে। মামলার বিবরণ থেকেই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবাদেও মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের কাছে বিটিআরসির পাওনা ১৩০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। দীর্ঘদিন ধরে তারা টাকা দেয়নি। সিকিউরিটি ডিপোজিটের ১৫ কোটি টাকাও তারা তুলে নিয়ে গেছে। প্রতিবেদনের কোন মন্তব্যই প্রতিবেদকের নিজস্ব নয়, সংশ্লিষ্টদের।