কলোনিয়াল হ্যাঙওভার

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০১৪, ১৫:২৬
আমি আর টুম্পি দুই ঝুল বারান্দায় প্রহর কাটাই, মাঝের শূন্যতায় লিখি নক্ষত্রের প্রেমকথা : আলোশস্যদিন দূরত্ব কমাও। ভোরের নীলের মতো আমাদের হয়ে-ওঠা-প্রেমের ভেতর কিছু কিন্তু-কাকাতুয়া সুবর্ণ সকাল নয়, বাচাল আলাপে পলিটিকাল সেক্স ঢুকিয়ে দেয়। টুম্পি খুব ভীত, পলিটিকাল রেপ-এ তার পেটে বড় হচ্ছে একটি কিম্ভুত শিশু। ফ্রয়েড বাবুর বই থেকে পাতা ছিঁড়ে বানাই কোকিল। উড়াই। চোখের মহলে আনন্দ-ভাব জাগে। আমাদের কসমেটিক বোঝাপড়ায় নারদপন্থীরা খুব খুশি। অনেক পরগাছাচোখ আর উপদেশ বিক্রেতা আমাদের নিয়ে ডকুফিল্ম করে। বিষয় : যে-অবিশ্বাস দিয়েছিলাম ভারতবর্ষকে, চলছে ভালোই। আমাদের ঝুলন্ত ঠোঁটের মনোনীত চুম্বনগুলি দুই রেলিঙের শূন্যতায় ভেসে বেড়ায়। প্রেমের ভেতর কাক আর চিল বাটি চালান দেয়। কী মোহ, কী যে ঘোর। আমরা শুকিয়ে যাচ্ছি। কেউ অসুখ ধরতেই পারছে না। কখনো আমরা তড়পানো ইলিশের মতো উত্তেজিত হই। আমাদের চোয়াল থেকে বের হতে থাকে গণতান্ত্রিক রক্ত : সবার জন্যে প্রেম, ধর্মীয় রাষ্ট্রের জলসা, সাম্রাজ্যবাদের পারফিউমড আন্ডারওয়ার; সমাজতান্ত্রিক স্বপ্ন : ভালোবাসার সমবণ্টন চাই। তারপর আরও একটি লাফ, মরণের কিছু বীর্যপাত। বরফের নিচে শাদা দেশ, শেষহীন ঘুমে কুপোকাত। তখন সুশীল সমাজের সাথে সুর ধ’রে কোথাকার কোন রাষ্ট্রদূত আমাদের চিরতার পানি খেতে বলে। চেনা অচেনা অনেক ঠোঁট আমাদের ঠোকরায়, নরকগণিকা হাসে : বেজন্মারা ঝুলে থাক, তোদের হবে না প্রেম; একবার পথের মাটিতে নাম, তোদের ছাড়বে না সিফিলিস্টিক পলিটিক্স আর কলোনিয়াল হ্যাঙওভার।