কবিতাকাতর শ্রুতি পুনরায় কান্নার কব্জায়
দুচোখ পড়তে বাধ্য ঘোর নিষ্ঠুরতা
মেতেছে কে আজ প্রেমে ও প্রমোদে!
দোহাই এখন কোনো গান নয়
অভাবী মানুষ এইখানে দাঁড়াবার জায়গা খুঁজছে
উচ্ছেদের নামে তাদের কবরে পাঠিও না
উদ্বাস্তু বউটির চোখে একবার রাখো চোখ
মৃত নক্ষত্রের মতো আলোহীন সে-মণিতে
স্বয়ং অঙ্গার হয়ে স্থির ঘৃণার আগুন
এক গ্রীষ্ম থেকে পরবর্তী শীতে যে-তরুণ
নিজে দরখাস্ত হয়ে মাথা ঠুকে চলেছে বিচিত্র দুর্গে
পারলে তাকে এনে দাও কোনো সুখবর
টানবাজারের বোনদের কথা ভুলি নাই
রাতারাতি যারা গৃহহীন হয়েছিল ক্ষমতা-করাতে
মানুষ বলি না, বলব না কভু— যারা গ্রাস করে
মানববসতি ছলে ও কৌশলে, গড়ে হাজার বাজার
আমি কোনো আশার বিতান খুলি নাই
এটা কোনো সিনেমাও নয় যে ম্যাজিক দেখা যাবে
পারি শুধু কবিতা লিখতে, এই অধমের ব্রত তাই
আজ তাও পারছি না, সক্ষমতা কেড়ে নিল অসময়
কবিতার কলমে গড়ায় রক্তপোড়া কয়লার কালি
আর শাদা কাগজের স্থানে পর্দায় উঠছে ভেসে
গুলিবিদ্ধ গীতা ও গোলাপ, শূন্যতার স্বরলিপি
পল্লবীতে পল্লবিত অন্ধকার সূর্য গিলে খেতে চায়
শীতলক্ষ্যার শিরদাঁড়া বেয়ে নেমে যায় ঠাণ্ডা স্রোত...
