উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে সুন্দরগঞ্জ-উলিপুর সড়কে তিস্তার শাখা নদীর উপর চর খোর্দ্দা গ্রামের বাঁশের সাঁকোই এলাকাবাসীর চলাচলের একমাত্র ভরসা। কমপক্ষে ১০ গ্রামের মানুষজন ওই সাঁকোর উপর দিয়ে অত্যন্ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন প্রতিনিয়ত। নিজ উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে একবছর আগে বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করেন এলাকাবাসী। প্রায় ৫শ’ ফিট লম্বা এই বাঁশের সাঁকোটির উপর দিয়ে তারাপুর ইউনিয়নের চরখোর্দ্দা, চরলাঠশালা, চরতারাপুর, চরবিরহিম, রহমতেরচর, সন্তোষ অবিরাম, নাগড়াকুড়া ও উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ও বজরা ইউনিয়নের লোকজন চলাচল করে আসছেন। প্রায় গোটা বছরেই এই সাঁকোই তাদের একমাত্র পারাপারের ভরসা।
চরখোর্দ্দা গ্রামের লাল বাদশা জানান, অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে সারাবছর বাঁশের সাঁকো দিয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শহরে যাতায়াত করতে হয়। বিশেষ করে রাতেরবেলায় সাঁকোর উপর চলাফেরা করতে গিয়ে চরম হুমকির মুখে পড়তে হয় অনেককে। স্থায়ীভাবে ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণের কোন ব্যবস্থা আজও নেয়নি সংশ্লি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ খোকা জানান, শাখা নদীটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত বাঁধের বাইরে হওয়ায় ব্রীজ নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। যে কারণে প্রতিবছর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করতে হচ্ছে। এ থেকে মুক্তি পেতে গেলে শাখা নদীর গতিপথ পরিবর্তন করতে হবে।
