বর্ষাতে মেহেরপুরে বেড়ে যায় ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০১৪, ২২:২৫
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নিশিপুর, ধনখোলা ও কসবা এলাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে ৯টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। প্রতিবছরই গরম ও বর্ষা মৌসুমেই পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি বেড়ে যায়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সমপ্রতি আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ট্রান্সফরমার চোর চক্র। আর চুরি যাওয়া এসব ট্রান্সফরমারের জরিমানার টাকা কৃষকতেই গুনতে হচ্ছে। গাংনী উপজেলার নিশিপুর গ্রামের কৃষক রফিক মিয়া জানান, জমিতে সেচ দেয়ার জন্য মাঠে গিয়ে দেখেন বৈদ্যুতিক খুঁটিতে লাগানো ট্রান্সফরমার খোলা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। ট্রান্সফরমারের ভিতরের তার ছাড়া সবই পড়ে আছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। কৃষক খালেক জানান, ডিজেল সেচযন্ত্রে খরচ বেশি পড়ে। বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্রে খরচ কম হওয়ায় গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু চোরে চুরি করে নিয়ে যাওয়ায় চাষাবাদ নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। তাছাড়া এইসব চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমারের জরিমানা তাদেরকে দিতে হবে। তবে কৃষকরা মনে করেন, এইসব ট্রান্সমিটার চুরি যাওয়ার পিছনে বিদ্যুত্ বিভাগের অসাধু কর্মচারীদের হাত থাকতে পারে। পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আলি হোসেন জানান, জেলার বিভিন্ন মাঠের মধ্যে সেচপাম্পে লাগানো ট্রান্সফরমারগুলো বেশি চুরি হচ্ছে। ট্রান্সফরমার চুরি রোধে বিভিন্নভাবে গ্রাহকদেরকে সচেতন করার পাশাপাশি ট্রান্সফরমার শিকল দিয়ে তালাবন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে। আর চুরির ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়ে থাকে। গাংনী থানার ওসি রিয়াজুল ইসলাম জানান, ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় বিদ্যুত্ বিভাগ থেকে সাধারণ ডায়রি করা হয় তাতে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ না থাকায় কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয় না।