রংপুরের মিঠাপুকুরে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরটি উপজেলা পরিষদের দক্ষিণে দোতলা এক ভবনে অবস্থিত। ৫ কক্ষবিশিষ্ট ভবনটির সবক’টি দেয়ালে ইতিমধ্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। শূন্য জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় গত শতকে দোতলা ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ভবনটির নিচে উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর ও উপরতলায় পরিবার পরিকল্পনা অদপ্তরের কার্যাক্রম চলে আসছে। প্রায় একযুগ আগে ভবনটির দেয়ালে ফাটল ও ছাদধস শুরু হয়। প্রথমে তেমন গুরুত্ব না দেয়ায় পরবর্তীতে দেখা দেয় নানা সমস্যা। ১৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিনই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। প্রায় ৬ মাস পূর্বে উপজেলার পায়রাবন্দ ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মাসুদ রানার মাথায় ফ্যানসহ ছাদ খুলে পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। কয়েকদিন আগে সহকারী পরিবার পরিকল্পনা অফিসারসহ কয়েকজন এ ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হন। অথচ ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনটি পুনঃনির্মাণের জন্য পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করেছেন মিঠাপুকুর পরিবার পরিকল্পনা অফিসার একেএম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ভবনটি পুনঃনির্মাণের জন্য বিভিন্ন অধিদপ্তরে আবেদন করেও কোন কাজ হয়নি। আবেদন লিখে লিখে শুধু ফাইল ভারি করেছি। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী মজনু মিয়া বলেন, ঝুঁকি নিয়ে অফিসে বসে কাজ করতে হয়। কখন ছাদ খুলে পড়ে, ফ্যান খুলে পড়ে এই আতঙ্কেই থাকতে হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার হারুন-অর রশিদ ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ স্বীকার করে বলেন, ওইস্থানে শুধুমাত্র স্টোররুমটি রেখে তাদেরকে বলেছি আমার ইউএনও ভবনে আসতে। তবে তারা গাফিলতি করছেন।
