জোড়াতালি দিয়ে চলছে সড়ক ও জনপথের রাস্তা

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০১৪, ২২:৩২
ঝিনাইদহ জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীন গ্রামীণ সড়কগুলোর একেবারেই বেহাল দশা। অধিকংশ সড়ক মেরামতের অভাবে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়ক ও মহাসড়কগুলো জোড়াতালি দিয়ে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে রাখা হয়েছে। এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, তাদের অনেক রাস্তা আছে নির্মাণের পর ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও মেরামত করা হয়নি। খানাখন্দে ভরে গেছে। যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতি বছর মেরামত বাবদ যে টাকা বরাদ্দ আসে তা দিয়ে সামান্য পরিমাণ রাস্তা মেরামত করা যায়। প্রতি ৩ বছর অন্তর রাস্তা মেরামতের কথা। ঝিনাইদহ জেলায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের সংখ্যা ১৭টি। গত অর্থ বছরে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া - লাঙ্গলবাঁধ সড়ক, ৪৪ কোটি ১৬ লাখ টাকার ঝিনাইদহ- মুজিরনগর সড়কসহ কয়েকটি রাস্তার কাজ এ পর্যন্ত মাত্র ১০ ভাগ হয়েছে। গত অর্থ বছরে মেরামত খাতে ২ কোটি ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ আসে। এ টাকায় সরকারি অফিস ও বাসা সংস্কার করা হয়।আর সিআইডি অফিস নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা আছে ৩৮ লাখ টাকা। বরাদ্দ এসেছে ২০ লাখ টাকা। নির্মাণ কাজ চলছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল সংস্কার ও স্থাপনা মেরামতে ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয় কুষ্টিয়া পিডি অফিস থেকে। পাওয়া যায় ১১ কোটি টাকা। ২ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। শৈলকুপা উপজেলায় গড়াই নদীর ভাঙ্গন রোধে ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়। কিন্তু ভাঙ্গন রোধ হচ্ছে না। ঝিনাইদহ জেলা পরিষদে গত অর্থ বছরে ২ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ আসে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে। জানুয়ারি মাসে প্রকল্প তৈরি করে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ১৪ জুন অনুমোদন হয়ে আসে। আর ৪ কিস্তিতে টাকা আসে। সর্বশেষ কিস্তি আসে জুন মাসে। টেন্ডার আহবান করতে জুন মাসের অর্ধেক পার হয়ে গেছে। এক কোটি ৮২ লাখ টাকায় একশ’ টি ছোট ছোট ইটের রাস্তা নির্মাণ করা হবে। শৈলকুপার সংসদ সদস্য আব্দুল হাই এক কোটি টাকা বরাদ্দ আনেন। এর মধ্যে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৫টি ছোট ছোট ইটের রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। বাকি টাকা অন্য প্রকল্পে ব্যয় করা হয়।