তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলায় স্থানীয় জামায়াত নেতা ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের স্ত্রীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছে মারিয়া আক্তার (৮) নামে এক স্কুল ছাত্রী। বুড়িচং উপজেলা সদর ইউনিয়নের আরাগ আনন্দপুর গ্রামে গতকাল শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন ওই স্কুল ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী ।
স্কুল ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুড়িচং উপজেলার আরাগ আনন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা সাইফুল আলমের বাড়িতে গতকাল সুন্নাতে খাত্নার অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় প্রতিবেশী দিনমজুর জহিরুল ইসলাম রতনের মেয়ে ও স্থানীয় গোবিনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্রী মারিয়া আক্তার অনুষ্ঠান দেখতে আসে। অনুষ্ঠান চলাকালে শিশু মারিয়া তার সহপাঠী শিশুদেরসহ খেলা করার সময় জামায়াত নেতা সাইফুল আলমের স্ত্রী ও উপজেলার যদুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফজিয়া আক্তারের উপর সামান্য মাটি ছিটকে পড়ে। এতে ভয়ে ওই শিশু দৌঁড়ে পালিয়ে বাড়িতে চলে যায়। পরে শিক্ষিকা ফজিয়া আক্তার রাগান্বিত হয়ে তার লোকজন দিয়ে শিশুটিকে বাড়ি থেকে ধরে এনে অমানবিকভাবে বেত্রাঘাত করে। একপর্যায়ে শিশুটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ ডা. আব্দুল্লাহর কাছে নিয়ে চিকিত্সা দেয়। মেয়ের বাবা দিনমজুর জহিরুল ইসলাম রতন জানান, খেলার ছলে সামান্য মাটি শরীরে পড়ায় আমার শিশু মেয়েকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে সারা শরীর জখম করা হয়েছে। বিষয়টি আমি স্থানীয় সরদার-মাতব্বরদেরকে জানিয়েছি। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
