গাজার আল শিফা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে ৬ বছরের নূর। তার পাশের বিছানায় ৪ বছরের খালেদ, ইয়ামিন। এই হাসপাতালেই গত কয়েক দিনে মারা গেছে তাদেরই মতো প্রায় ৫০০ শিশু। পোড়া জিভ নিয়ে এখানেই ভর্তি ৬ বছরের মরজুব মুসা এল ভান। না পারছে কথা বলতে, না পারছে খেতে। সারাদিনই হাসপাতালের বাইরে অ্যাম্বুলেন্সের শব্দ। ত্রিপলে জড়ানো ৭ বছরের আবদুল্লাহ সামারলার ছোট্ট শরীর ভেসে যাচ্ছে রক্তে। এদের মাঝেই গভীর পোড়া, ভাঙা হাত নিয়ে মায়ের পাশে শুয়ে বিশ্বের রাষ্ট্রনেতাদের উদ্দেশে এক খোলা চিঠি লিখল ১০ বছরের আলালিয়া। খবর জি নিউজের।
এক ভারতীয় টিভি চ্যানেলকে আহত ঠোঁট নেড়ে অতি কষ্টে আলালিয়া পড়ে শোনাল তার বার্তা -‘গাজা স্বাধীন ভাবে বাঁচতে পারছে না। আমাদের খুব কষ্ট। আমি আশা করি গাজার শিশুরা স্বাধীন ভাবে বাঁচবে। বিশ্বের কাছে আমার আর্জি, গাজার শিশুদের বাঁচার আধিকার দাও। কেন তাদের এই অধিকার নেই? কেন তারা বাকি বিশ্বের মতো স্বাধীন ভাবে বাঁচতে পারবে না? আমি রাষ্ট্রনেতাদের আর্জি জানাচ্ছি গাজার শিশুদের বেঁচে থাকার সুযোগ করে দাও।’
