জাগো তবে অরণ্য কন্যারা
প্রশ্ন: ১। নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
রাজিয়া সুলতানা এখন এক পরিচিত নারী। পরিবেশ রক্ষায় তার নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ঢাকা ও তার চারপাশের জলাধার, নদীসমূহ সংস্কার ও রক্ষার যে অকুতোভয় মানসিকতা দেখিয়েছেন তা এ দেশের নারী পুরুষ সকলের জন্য প্রেরণাদায়ী। তাঁর কার্যকলাপ প্রমাণ করে মানব কল্যাণে নারীর ভূমিকা মোটেই কম নয়।
(ক) কোনো কালে একা কার তরবারি জয়ী হয়নি?
(খ) কবি বর্তমান সময়কে ‘মানুষের যুগ’ বলেছেন কেন? বুঝিয়ে লেখ।
(গ) উদ্দীপকে উল্লেখিত কার্যক্রম ‘নারী’ কবিতার কোন দিককে উন্মোচিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
(ঘ) ‘মানব কল্যাণে নারীর ভূমিকা মোটেই কম নয়।’ — ‘নারী’ কবিতার আলোকে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর:(ক) কোনো কালে একা পুরুষের তরবারি জয়ী হয়নি।
(খ) কবি বর্তমান সময়কে ‘মানুষের যুগ’ বলেছেন, কারণ এখন কোনো লিঙ্গ ভেদের সময় নয়, নারী-পুরুষ সবাই মানুষ।
নারী ও পুরুষের যে পার্থক্য, তা প্রাচীন যুগ থেকেই ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। নারীরা অবহেলিত, লাঞ্ছিত। তারা সঠিক মর্যাদা ও অধিকার পায় না। ‘নারী’ বলে তাদের অপবাদ দেয়া হয়। কবি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠে সোচ্চার। তিনি এই প্রাচীন ভেদাভেদ ঘুচাতে বর্তমানকে নারী বা পুরুষের সময় না বলে ‘মানুষের যুগ’ বলেছেন।
(গ) “নারী” কবিতায় নারীদের যে অবদান ও যোগ্যতার কথা প্রকাশ পেয়েছে, উদ্দীপকেও সে দিকটিই উন্মোচিত হয়েছে।
নারী ও পুরুষ লিঙ্গভেদে ভিন্ন। এটা মানব জাতি সৃষ্টির জন্য আবশ্যক। কিন্তু নারী বা পুরুষ সকলের সামগ্রিক পরিচয় হলো মানুষ। কিন্তু নারীরা শারীরিকভাবে দুর্বল বলে তাদেরকে অবহেলা করা হয়। অথচ নারীরা বিশ্ব ও সমাজ উন্নয়নে পুরুষের চেয়ে কম অবদান রাখে নি।
উদ্দীপকে রাজিয়া সুলতানা নামক কৃতি নারীর কথা রয়েছে। তিনি একজন পরিবেশবাদী। স্বীকৃতিস্বরুপ পেয়েছেন আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ‘নারী’ কবিতায়ও কবি নারীদের অবদান ও যোগ্যতার কথা বলেছেন। কবির মতে এই মহাবিশ্বে যা কিছু সৃষ্টিশীল ও কল্যাণকর — সব কিছুতে নারীর অর্ধেক অবদান রয়েছে। এর দ্বারা কবি নারীর কর্ম সামর্থের কথা ফুটিয়ে তুলেছেন, যা উদ্দীপকেও প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ-এর উত্তর আগামীকাল
