পটুয়াখালীর আধুনিক বাস টার্মিনালের বেহাল দশায় যাত্রী দুর্ভোগ চরমে

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৪, ২২:২৮
পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় পটুয়াখালীর আধুনিক কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের অবস্থা এখন বেহাল দশায় পৌঁছেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। টার্মিনালের শৌচাগারের সেফটি ট্যাংকি ফেটে মল-মূত্রের পানি বেড়িয়ে বৃষ্টির পানির সাথে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে। এ নোংরা পানি পেরিয়ে যাত্রীদেরকে বাসে ওঠা-নামা করতে হচ্ছে। ২০০৩ সালে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাশে কালিকাপুর এলাকায় স্থাপন করা হয় আধুনিকমানের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল। কিন্তু টার্মিনাল এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। গত বছর টার্মিনালের গণশৌচাগারের সেপটি ট্যাংক ফেটে ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে টার্মিনাল এলাকা। বাস টার্মিনালে আসা যাত্রীরা জানান, এ নোংরা পানি ভেঙ্গে কিভাবে বাসে উঠবো। এতে বড় এলাকা জুড়ে টার্মিনাল। কিন্তু পানি সরে যাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। পটুয়াখালী বাস টার্মিনালের সাকুরা পরিবহনের কাউন্টারের ব্যবস্থাপক আবু জাফর খান জানান, বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করার মতো কোন পরিবেশ নেই। যাত্রীরা দূর-দূরান্ত থেকে চলাচলের পথে কাউন্টারে যে একটু বসবে তারও উপায় থাকে না। একদিকে জলাবদ্ধতা, অপরদিকে দুর্গন্ধে যাত্রীদের টেকাই দায় হয়ে পড়ে। পটুয়াখালী বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা দুলু জানান, বাস টার্মিনালটি নির্মাণকালে পয়ঃনিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এতে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। পটুয়াখালী পৌরসভার প্যানেল মেয়র সৈয়দা আকলিমুনেছা বলেন, বাস টার্মিনালে যাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয় এব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।