বেতাগীতে উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লি:’র কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ও সভাপতির উেকাচ নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ ও অসদাচরণের কারণে বেতন-বোনাস না পেয়েই তাদের ঈদ পালন করতে হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ও জেলা কার্যালয়ের অজুহাত দেখিয়ে এ টাকা দাবি করা হয়েছে এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। পাননি বকেয়া পাওনাও। ঈদে পরিবারগুলোতে কেটেছে হতাশা ও চোখের জলে। ধার-দেনা করে চলতে চলতে বর্তমানে আরো দিশেহারা তারা। ফলে কর্মচারীদের মাঝে বিরাজ করছে অসন্তোষ।
উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মো:বাবুল গাজী জানান, কর্মচারী বেতন-ভাতা খাতে সহায়তা প্রাপ্তির জন্য একজন পরিদর্শককে বছরে ন্যূনতম ১৫ লক্ষ টাকার ঋণ বিতরণ করতে হবে এবং পূর্ববর্তী বছরের আদায়যোগ্য ঋণের ন্যূনপক্ষে ৭৫ ভাগ আদায় থাকতে হবে, তা না হওয়ায় স্থগিত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি খ. ম. ফাহরিয়া সংগ্রাম আমিনুল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সমবায়ের বিধি-বিধান অত্যন্ত কঠিন। সে অনুযায়ী বেতন-ভাতা ফেরত দেয়ার চিঠি দেয়া হয়েছে। তবে প্রদান না করে আমরা প্রতিষ্ঠানের জন্য সুনাম ও প্রশংসার কাজ করেছি’।
