গল্প নয় সত্যি

সুমো কুস্তিগিরদের বিড়ম্বনা

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৪, ২০:১৮
ভিড়ের কারণে বাস, ট্রেন বা লঞ্চে দাঁড়িয়ে যাওয়ার সুবিধা থাকলেও বিমান যাত্রার ক্ষেত্রে এটি কল্পনাও করা যায় না। যদিও সংক্ষিপ্ত এক যাত্রা পথে এবার এমনই এক অকল্পনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে জাপানের কয়েকজন সুমো কুস্তিগিরকে। দেশটির শিমেন প্রিফেকচারে অবস্থিত একটি দ্বীপে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্যই রওনা হয়েছিলেন এই কুস্তিগিরেরা। তবে সাধারণ মানুষের জন্য যেখানে অনায়াসে বসে ভ্রমণ করা সম্ভব সেখানে আকৃতিগত কারণেই নির্ধারিত সংখ্যক আসনের বিপরীতে বসার পর্যাপ্ত জায়গা করে নিতে পারেননি বিশালদেহী এই সুমো কুস্তিগিরেরা। আর এ কারণেই সর্বমোট ২৯ কুস্তিগিরের মধ্য থেকে বেশ কয়েকজনকেই সংক্ষিপ্ত এই পথটি ভ্রমণ করতে হয় দুই সারি আসনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থেকে। এমনকি বিমান থেকে নামার পর যে বাসে করে তাদেরকে হাক্কাকু নামের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিতে নিয়ে যাওয়া হয় সেই বাসের সিট পেতে বা সিটে বসতেও অধিকাংশ কুস্তিগিরকে কষ্ট করতে হয়েছে। আর এ সবকিছু মিলিয়ে পুরো যাত্রাপথটিই এক অর্থে গাদাগাদি করে ভ্রমণ করতে হয়েছে কিছুটা ভালো(!) স্বাস্থ্যের অধিকারী এই কুস্তিগিরদের। এদিকে এই ঘটনার বেশ কিছু ছবি প্রশিক্ষণ ক্যাম্পটির পক্ষ থেকে অনলাইনে প্রকাশ করা হলে সেটি দারুণ আলোচনার খোড়াক যুগিয়েছে একাধিক সংবাদপত্র আর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। এক্ষেত্রে ছবিগুলোর পাশাপাশি বিমানে দাঁড়িয়ে থাকা কুস্তিগিরদের ছবির নিচে বর্ণনা হিসেবে একে ‘প্যাকড টাইটলি’ বলাটাও হাসির বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মূলত নানা সময়ে সুমো কুস্তিগিররা এককভাবে বা দু’তিন জন একসাথে যাতায়াত করলেও ছোট্ট প্রোপেলার চালিত প্লেনে ২৯ জন কুস্তিগির একসাথে যাত্রা করলে এর পরিণতি কী হতে পারে সে সম্পর্কে বাস্তব কোনো ধারণাই ছিল না কুস্তিগিরদের প্রশিক্ষণ দেখভাল করা সংগঠন হাক্কাকু স্ট্যাবল এর।