ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তির টাকা পেতে ভোগান্তি

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৪, ২১:৩৭
ডাচ-বাংলা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের শিক্ষা-সহায়তা বৃত্তি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ সহায়তা তারা করে থাকে। এবং এর মাধ্যমে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী শিক্ষাবৃত্তি পেয়ে তাদের পড়াশোনা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে পারছে। তবে এ বৃত্তি লাভের পর বৃত্তির টাকা ওঠাতে ভোগান্তির শেষ নেই। বৃত্তির টাকা পেতে সমস্যা হলে ডাচ-বাংলা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের হেল্প লাইনে ফোন করতে হয়। হেল্প লাইনে ফোন করলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যাচ্ছেতাই ব্যবহার করা হয়। অ্যাকাউন্টে ঠিকমতো টাকা আসে না। হেল্পলাইন থেকে বৃত্তি বন্ধ করার হুমকিও দেওয়া হয়ে থাকে। গ্রাম থেকে যারা বৃত্তি পায় তাদের অবস্থা আরো শোচনীয়। অনেকেই প্রসেসিং ঝামেলার কারণে এবং হেল্প লাইনে ফোন করে হেল্প না-পেয়ে বৃত্তির জন্য সকল প্রচেষ্টা বন্ধ করে দেয়। প্রতিবছর ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি দেওয়ার জন্য নজরকাড়া বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে দেখি। একইসঙ্গে বৃত্তির টাকা শিক্ষার্থী যেন সহজে পায় সে ব্যবস্থাও নেওয়া কি জরুরি নয়? তানজীম নাইমী, মাহমুদুর রহমান, আরিফ রহমান, তানিম ইশতিয়াক, ইয়াছিন আরাফাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী