মাগুরার লাঙ্গলবাঁধ ঘাটে শুষ্ক মৌসুমে গড়াই নদীর পানি কমে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। বর্ষা মৌসুমে নদী ভরা পানি থাকলেও ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এলাকাবাসী জানে না কবেনাগাদ ফেরিতে যানবাহন পারাপার শুরু হবে। দু’টি ফেরি দীর্ঘদিন ঘাটে বসা। এর আগে একটি ফেরি ১০ বছর বসে ছিল। ফেরির দুই পাড়ে কোনো ঘাট না থাকায় যানবাহন পারাপার সম্ভব হয়নি। ফেরির কর্মচারীরা বসে বসে বেতন নিত। এক পর্যায় কর্মচারীরা চলে গেলে ফেরির যন্ত্রপাতি চুরি হয়। এক সময় ফেরিটি ডুবে যায়। তারপর নিলামে বিক্রি করে দেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
ফেরি পারাপার শুরু হলে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলা হতে ঢাকার সাথে যানবাহন চলাচলে একটি নতুন রুট চালু হবে। এতে ঝিনাইদহের শৈলকুপা, মাগুরার শ্রীপুর এবং রাজবাড়ি জেলার পাংশা ও বালিয়াকান্দি উপজেলার মানুষের যাতায়াতে সময় কম লাগবে। পণ্য পরিবহনেও সুবিধা হবে।
মাগুরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দত্ত জানান, ফেরি দুটো এক বছর আগে থেকে বসে আছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না পাওয়ায় ফেরি দুটো চালানো যাচ্ছে না।
