গঙ্গাচড়া উপজেলার কিসামত হাবু গ্রামের কৃষক আরেফিন আমন মৌসুমে এখনো কোনো প্রকার চারা রোপণ করেনি। বৃষ্টির অপেক্ষায় থেকে চারার বয়স বেশি হয়ে গেছে। নিজের সেচ সুবিধা থাকলেও ক্যানেলের অভাবে জমিতে সেচ দিতে পারছেন না। তার আবাদযোগ্য ৪ একর জমিতে এখনো চারা লাগাননি তিনি।
উপজেলার সর্বত্র চলছে পানির জন্য হাহাকার। বর্ষায় পানি নেই মাঠে। কৃষকরা চাতক পাখির মত চেয়ে আছে কখন বৃষ্টি হবে। চৈত্রের কাঠফাটা রোদ্দুর । মাঠ-ঘাট ফেটে চৌচির হচ্ছে। পুকুরে পানি নেই। মরে যাচ্ছে মাছ। আমন ক্ষেত ফেটে যাচ্ছে। আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব পড়ছে কৃষিতে।
কৃষি বিভাগ বৃষ্টির অপেক্ষায় না থেকে কৃষকদের সেচ দিয়ে চারা লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। আবহাওয়া অফিস বলছে, মৌসুমী বায়ু দুর্বল হওয়ার কারণে রংপুর এলাকায় আপাতত বড় ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই।
