পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় সম্পত্তির জের ধরে প্রতিপক্ষের বাসা-বাড়ির চারদিকে বেড়া নির্মাণ করায় ৯ সদস্যের পরিবার ৭ দিন ধরে অবরুদ্ধ রয়েছে । সন্ত্রাসীদের হামলার ভয়ে ওই অবরুদ্ধরা বের হতে পারছেন না।
জানা যায়, উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের বারেক সিকদারের কাছ থেকে কিছু জমি ক্রয় করে মোশারেফ ও মনির বেপারী সহোদর। দখল বুঝে পেয়ে ওই জমিতে মোশারেফ ও মনির ঘর-বাড়ি করে দীর্ঘ ১০ বছর পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছে। ওই জমির ওয়ারিশসূত্রে দাবিদার মোস্তফা মৃধা, রাসেল মৃধা, রাজিব, বাবুল, রেজাউল, লিটন, রহমান, কামাল দর্জিসহ ১২/১৩ জন ঈদের পরের দিন মোশারেফ ও মনিরের ঘরের চারদিকে বাঁশের বেড়া নির্মাণ ও যাতায়াত পথে কলাগাছ রোপণ করে। এছাড়া ঐ পথ দিয়ে চলাচল করতে তাদেরকে নিষেধ করে দেয়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও ৭দিনেও তাদেরকে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের উপজেলা প্রতিনিধি মোসাঃ সুলতানা জাকির বলেন, মনিরের স্ত্রী শেফালী বেগম সেভ দ্যা চিলড্রেন- ইউএসএ পরিসংখ্যানে একজন লিড ফার্মার। দু’সহদরের ৪ সন্তানই স্কুলগামী। বৃদ্ধা মা রয়েছে ওই ঘরে। এদের ৭ দিন ধরে অবরুদ্ধ করে রেখে তাদের স্বাভাবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ মোঃ জাকির হোসেন বলেন, নদী ভাঙ্গনের শিকার মোশারেফ ও মনির। ওই জমি ক্রয় করে বাড়ি নির্মাণের পর বাবা-মা নিয়ে সেখানে বসবাস করে আসছিল। ওই বাড়ির সকল জমির টাকা পরিশোধ করলেও সম্পূর্ণ দলিল সম্পাদিত না হওয়ায় ঝগড়ার সূত্র ধরে ঈদের পরের দিন বেড়া নির্মাণ করা হয়েছে। যাতায়াতের সুবিধা দিতে বললেও এখনো তারা মানছেন না। এ বিষয় রাসেল মৃধা মুঠো ফোনে বলেন, বেড়া নির্মাণের বিষয় আমি কিছুই শুনিনি। তবে মোশারেফ ও মনির এ জমিতে প্রবেশ করতে পারবে না।
