সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছেন দুই শতাধিক পর্যটক

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০১৪, ২২:৫১
লঘুচাপের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে পড়ায় কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন দ্বীপ নৌপথে দুইদিন ধরে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ কারণে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে আসা তিন শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছিলেন। সোমবার বিকাল ৪টায় শতাধিক পর্যটক ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলার নিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ কায়ুকখালী ঘাটে পৌঁছেন। ফেরত আসা পর্যটকরা জানান, গত দুইদিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় পর্যটকরা আটকা পড়েন। পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় শতাধিক পর্যটক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে চলে আসেন। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সূত্র জানায়, লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। উপকূলজুড়ে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এ কারণে কক্সবাজার উপকূলকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে নিরাপদে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল আমিন জানান, গত রবিবার সকাল থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চেষ্টা করেও আটকেপড়া পর্যটকদের টেকনাফ আনা সম্ভব হয়নি। আটকে পড়া তিন শতাধিক পর্যটক দ্বীপের হোটেল ও কটেজে রয়েছেন। পর্যটকবাহী জাহাজ ‘কেয়ারি সিন্দাবাদের’ ব্যবস্থাপক মো. শাহ আলম জানান, দ্বীপে আটকেপড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার জন্য গত রবিবার সকালে তারা টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি গেলেও প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে জেটি পর্যন্ত যেতে পারেনি, টেকনাফ ফিরে আসেন। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মুজাহিদউদ্দিন জানান, বৈরী আবহাওয়ায় সাগর পাড়ি দিয়ে কাউকে সেন্টমার্টিন যেতে দেয়া হচ্ছে না। আবহাওয়া ভাল হলে তাদের ফেরত আনা হবে।