গল্প নয় সত্যি

এ যুগের হ্যামিলন!

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০১৪, ২০:১২
যাত্রা শুরুর পর থেকে গোটা দুনিয়ার অনেক মজার মজার ভিডিও চিত্রেরই উত্স হয়ে উঠেছে ভিডিও শেয়ারিং এর জনপ্রিয় সাইট ইউটিউব। আর প্রতিনিয়ত ইউটিউবে আপলোড করা লাখ লাখ ভিডিও’র মধ্য থেকে ব্যতিক্রমী নানা ঘটনার গল্প উঠে এসেছে সংবাদপত্রের পাতাতেও। যে ধারার সর্বশেষ উদাহরণ বলা যেতে পারে রাশিয়ার এক খামার মালিক কিংবা খামারের কর্মীর অদ্ভতূরে দক্ষতার ভিডিওটিকে। মাত্র ১ মিনিট ৫ সেকেন্ড স্থায়ী এই ভিডিওচিত্রের শুরুতে ঐ ব্যক্তিকে ভিডিওর শুরুতেই তার খামার থেকে খালি গায়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। এ সময় ঠিক খামারের প্রধান দরজার কাছেই শ’খানেক ছোট-বড় হাঁস। তবে এ অবস্থায় হঠাত্ করেই ঐ হাঁসগুলোর উদ্দেশ্যে চিত্কার করে কী যেন একটা বলে ওঠেন ব্যক্তিটি। আর এতেই ভোজ বাজির মতো পাল্টে যায় হাঁসেদের বিক্ষিপ্ত ঘোরাফেরা। অনেকটা আধুনিক সামরিক কায়দাতেই দশ সেকেন্ডের মাঝে সারিবদ্ধ হয়ে যায় হাঁসগুলো। তারপর একে একে ঐ লোকটিকে অনুসরণ করে ঢুকতে থাকে খামারের ভেতরে। বলাবাহুল্য, মুখের কথায় হাঁসদের এভাবে সারিবদ্ধ করার কীর্তি দেখে অনেকেরই মুখ হাঁ হয়ে গেছে। সেই সাথে ভিডিওটির প্রতি প্রকাশ পেয়েছে তাদের ভালোবাসা আর মজার সব মন্তব্যও। আধুনিক যুগের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো কাণ্ড ঘটানো নাম না জানা এই ব্যক্তিকে কেউ কেউ যেমন হাঁসেদের সর্দার বলে আখ্যায়িত করেছেন তেমনি কেউ কেউ রসিকতা করে এটাও বলেছেন যে, এই ভিডিওচিত্রের নেপথ্য সংগীত হিসেবে রাশিয়ার জাতীয় সংগীত বাজানো হলে মন্দ হতো না। অন্যদিকে ভিডিওটি যারা দেখছেন তাদের সুবিধার্থে সোহেইল মির্জা নামের এক দর্শক জানিয়েছেন, হাঁসগুলোকে ডাকার সময় ঐ লোকটি চিত্কার করে যা বলেছিলেন তার অর্থ হলো, ‘আমি তোমাদের এখনই এখানে দেখতে চাই, দ্রুত এখানে এসো’।