হাতিয়ার মেঘনায় চলছে না সিট্রাক দুর্ভোগ যাত্রীদের

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০১৪, ২০:৩৬
দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া থেকে জেলা সদরে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম সিট্রাক। ২০ কিলোমিটার উত্তাল মেঘনা নদী পাড়ি দিতে সরকারি নৌযান সিট্রাক ব্যতীত অন্য কোন নৌযান নিরাপদ নয়। অথচ গত সাত দিন ধরে এ রুটে এস টি জব্বার সিট্রাকটির চলাচল যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ থাকায় যাত্রীদেরকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে যাত্রীরা নিরূপায় হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল মেঘনায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় যান্ত্রিক নৌকা বা ট্রলারে যাতায়াত করছেন। যাত্রীদের অভিযোগ, এ রুটে সিট্রাক চলাচল বন্ধ থাকলেও সিট্রাকের চার্টার এজেন্ট যাত্রী পারাপারকারি ট্রলার থেকে একই ভাড়া আদায় করে নিচ্ছেন অর্থাত্ যাত্রী প্রতি ট্রলার ভাড়া ১শ’ ৫০ টাকা আদায় করা হলে ৯০ টাকা দিতে হয় সিট্রাকের চার্টার এজেন্টকে এবং বাকি ৬০ টাকার মধ্যে ১০ টাকা থানা পুলিশকে দিয়ে অবশিষ্ট ৫০ টাকা ট্রলার মালিকের ভাগ্যে জোটে। এব্যাপারে সিট্রাকের চার্টার এজেন্ট মো:কাজল জানান, ২ বছর আগে উক্ত এসটি জব্বার নামীয় সিট্রাকটি ডকে নেয়ার ডিও হওয়া সত্ত্বেও শুধু জ্বালানি খরচের কারণ দেখিয়ে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ তা মেরামতের জন্য ডকে নেয়নি। ফলে এতদিন কোনরকম জোড়াতালি দিয়ে চালাতে হয়েছে সিট্রাকটি। কিন্তু বর্তমানে বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ায় তা এখানে আর মেরামত করা সম্ভব নয়। উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদ লিটন সিট্রাকটি দ্রুত মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দিয়েছেন।