বিশ্বকবির মহাপ্রয়াণ দিবসে পতিসরে ছিল না কোন কর্মসূচি

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০১৪, ২১:০৯
দেশ জুড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৩তম মহাপ্রয়াণ দিবস গতকাল বুধবার পালিত হলেও কোন সরকারি কর্মসূচি ছিল না কবির স্মৃতি বিজরিত নওগাঁর পতিসরে। কোন সরকারি কর্মসূচি না থাকায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন হাজারো রবীন্দ্র ভক্ত। রবীন্দ্র চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মামুন জানান, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সৃষ্টির একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে পতিসর। পতিসর এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত কালিগ্রাম পরগনার জমিদারী দেখাশোনার জন্য ১৮৯১ সালে সর্বপ্রথম কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পতিসরে আসেন। জমিদারী দেখাশোনার জন্য কবিগুরু পতিসরে এলেও প্রজাদরদী কবি এখানকার কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য নোবেল প্রাপ্তির ১ লাখ ৮ হাজার টাকা দিয়ে এখানে একটি কৃষি ব্যাংক স্থাপন করেন। এ ছাড়া এখানে তিনি তার পুত্র রথীন্দ্রনাথের নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দাতব্য চিকিত্সালয় স্থাপন করেন। পতিসরে বসেই কবি রচনা করেন, তার কালজয়ী চিত্রা, পূর্ণিমা, সন্ধ্যা, গোড়া, ঘরে-বাইরেসহ অসংখ্য গ্রন্থ। ১৯৩৭ সালের ২৭ জুলাই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষবারের মত পতিসরে এসেছিলেন। কবির মহাপ্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নওগাঁর মহাদেবপুরে প্রদর্শিত হয় সাংবাদিক ও নাট্যকার আজাদুল ইসলাম আজাদ পরিচালিত পতিসরে কবিগুরুর সাহিত্যকর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র “তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা”। প্রামাণ্য চিত্রটি প্রযোজনা করেছে রবেন্দ্র টেলিফিল্ম।