বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে মোদীর নানা চিন্তা

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০১৪, ২২:২৮
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নানামুখী চিন্তা-ভাবনা করছেন। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের আগ্রহ অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গে দ্রুত স্থল সীমান্ত চুক্তি (এলবিএ) বাস্তবায়ন করতে চান তিনি। মোদীর খুব ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বিজেপির এক এমপির বরাত দিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ঐ এমপি বলেন, আগামী শীতকালীন অধিবেশনেই এলবিএ’র বিলটি পার্লামেন্টে পাস করাতে চান মোদী। এরপরই বাংলাদেশ সফরে আসতে চান নরেন্দ্র মোদী। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসেই বাংলাদেশ সফরে আসতে চান মোদী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপি এমপি বলেন, মোদী দৃষ্টিগ্রাহ্য কাজে বিশ্বাসী। তিনি এমন দিনে বাংলাদেশ সফরে যেতে চান যেদিন ভারতের সেনা ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করেছিলো এবং বাংলাদেশ সৃষ্টিতে নেতৃত্ব দিয়েছিলো। দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন করে ঝালিয়ে নেয়া যেতে পারে এ দিনে। তবে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সফরে যেতে না পারলে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে যাবেন নরেন্দ্র মোদী। এলবিএ ছাড়াও তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছেন নরেন্দ্র মোদী। এজন্য স্টেকহোল্ডারদের (পশ্চিমবঙ্গের) সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন তিনি। ইতিমধ্যে উজান থেকে পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পাওয়ান চামলিংকে রাজি করিয়েছেন মোদী। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কল্যাণ রুদ্র কমিশনের প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য বলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এখন পর্যন্ত কল্যাণ রুদ্রের প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি এমনকি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও উপস্থাপন করেনি। তবে জানা গেছে, তিস্তাকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার যুক্তি তুলে ধরেছেন কল্যাণ রুদ্র।