২১ ডাক্তারের মধ্যে আছেন ৬ জন

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৪, ২১:০৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নানা সমস্যায় জর্জরিত। প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে দেশের সর্ববৃহত্ উপজেলা এবং অধিক জনসংখ্যা হওয়ায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইলা বিধ্বস্ত অবহেলিত এ জনপদের সাধারণ মানুষ মৌলিক অধিকার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৫ মে ৩১ শয্যা থেকে হাসপাতালটি ৫১ শয্যায় উন্নীত করা হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সর্বপ্রকার সুবিধা হূদকম্পন পরীক্ষার যন্ত্র (ইসিজি), এক্সরে, অবেদনবিদ (এনেসথেসিয়া) ও প্যাথলজিক্যালসহ সর্বপ্রকার সুবিধার ব্যবস্থা করেছেন। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সুবিধা থাকলেও লোকবলের অভাবে সেগুলো পরিপূর্ণভাবে চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। শ্যামনগর হাসপাতালে ডাক্তারদের পদের সংখ্যা ২১ হলেও ডাক্তার আছেন ৬ জন। ২ জন আছেন প্রেষণে (ডেপুটেশন), ১ জন আছেন অননুমোদিত। সেবিকা আছেন ১৬ জন। তার মধ্যে ৩ জন প্রেষণে। অন্য জন নাই। ওয়ার্ডবয় ৩ জনের স্থলে আছে ১ জন। ১ জন প্রেষণে, অন্য জন নাই। ল্যাবরেটরি এটেনডেন্ট পদটি বরাবরই প্রেষণে আছে। ওটি (অপারেশন থিয়েটার) বয় প্রেষণে আছে। মালির পদটিও প্রেষণে আছে। সুইপার মাত্র ৫ জন। আয়া আছে ২ জন। উপজেলা সদরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ শতাধিক রোগী হাসপাতালে চিকিত্সা সেবা নিতে আসে। টিএইচএ ডাক্তার নজরুল ইসলাম বলেন- হাসপাতালটিতে ৩১ শয্যা থাকাকালীন যে সুবিধা ছিল ৫১ শয্যার ক্ষেত্রেও একই সুবিধা। হাসপাতালে প্রতিনিয়ত একশ’ রোগী ভর্তি থাকে। আসবাবপত্রের সমস্যা দীর্ঘদিনের। সার্বিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান সুবিধা থাকলেও লোকবলের অভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে হাসপাতালটি। শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা টিএইচএ ডা. নজরুল ইসলাম জানান, লোকবলের অভাবে সঠিক সেবা দেয়া কষ্টকর। তারপরও আমরা সীমিত ডাক্তার ও আনুষঙ্গিক জনবল নিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সেবা দিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি।