গরু মোটাতাজাকরণ প্রবণতা আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৪, ২১:২৩
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতাদের মন ভোলাতে এবং বেশি লাভের আশায় রংপুর বিভাগে গরু মোটাতাজাকরণ বেড়েছে আশঙ্কাজনকহারে। কোরবানির ঈদে ৩ লাখ গরুকে ক্ষতিকারক স্টেরয়েট ট্যাবলেট খাইয়ে বাজারজাতকরণের মিশন হাতে নিয়েছে ২০ হাজার মৌসুমী ব্যবসায়ী ও খামারি। তবে প্রানি সম্পদ বিভাগ বলছে, তাদের কাছ থেকে যেসব খামারি প্রশিক্ষণ নিয়েছে তারা কোন ক্ষতিকর পদার্থ গরুকে খাওয়াচ্ছেন না। স্বাভাবিক নিয়মেই গরু মোটাতাজা করছেন। তবে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা গরুকে মোটাতাজা করতে স্টেরয়েট জাতীয় ওষুধ খাওয়াচ্ছেন বলে প্রাণী সম্পদ বিভাগ স্বীকার করেছেন। রংপুর প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, রংপুর বিভাগে দুগ্ধ খামার রয়েছে ৫ হাজার ৩’শ ৮৫টি। এছাড়া বিভাগে গরু রয়েছে ৬৩ লাখ ৭৪ হাজার ৫’শ ৪৪টি। মহিষ রয়েছে ১ লাখ ৩’শ ৪৫টি। ছাগল ৪১ লাখ ২০ হাজার ৪’শ ৬টি। ভেড়ার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৯’শ ৩২টি। এছাড়া অন্যান্য প্রাণী রয়েছে ১০ হাজার ৪’শ ২টি। রংপুরের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ক্ষতিকর স্টেরয়েটর জাতীয় ওষুধ খাইয়ে গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে। এই জাতীয় ওষুধ গরুর দেহে অধিকমাত্রায় পানি ধারণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে গরুর শরীর ফুলে-ফেঁপে ওঠে এবং গরুকে স্বাস্থ্যবান দেখায়। এছাড়া গরু দ্রুত মোটাতাজা হয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এ কারণে গরুর হূদপিন্ড ও যকৃত্ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে গরুকে এ জাতীয় ওষুধ খাওয়াতে নিষেধ করা সত্ত্বেও এক শ্রেণির মুনাফালোভী ব্যবসায়ী ও খামারি কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরুকে ক্ষতিকারক ওষুধ খাওয়াচ্ছে।