নানা সংকটে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৪, ২১:২৫
নানা সংকট নিয়ে উচ্চশিক্ষা প্রদানে এগিয়ে যাচ্ছে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ। এটিই এ জেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসেন। প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভবন নেই, রয়েছে শিক্ষক সংকটও। রয়েছে নানা বাধা ও প্রতিকূলতা। সবকিছুকে ছাপিয়ে হাওরাঞ্চলের শিক্ষাবিস্তারে অনন্য ভূমিকা রাখছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অনার্সে নতুন বিষয় যোগ ও মাস্টার্স চালুকরণের মধ্যদিয়ে কলেজটি পরিণত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে। ১৯৪৪ সালের ১ জুলাই সুনামগঞ্জ কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। কলেজটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আসামের তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রী স্যার সৈয়দ মুহম্মদ সাদউল্লা। প্রথমে বেসরকারি মিলনায়তন টাউন হলে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮০ সালের ৩ মার্চ কলেজটি জাতীয়করণ হয়ে সরকারি কলেজের মর্যাদা লাভ করে। এ কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন প্রফুল্ল কুমার চক্রবর্তী। কলেজের উপাধ্যক্ষ সৈয়দ মহিবুল ইসলাম জানালেন, অনার্সে বিষয় বৃদ্ধি করা ও মাস্টার্স কোর্স চালু করা কলেজ কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। বিভিন্ন সময় কলেজের শিক্ষার্থীরা এ ব্যাপারে দাবি জানিয়ে আসছিল। দীর্ঘদিন ধরে কলেজের অনার্স বিভাগ চলছিল মাত্র ৪টি বিষয় নিয়ে। চালু থাকা ৪টি অনার্স কোর্সের সাথে নতুন আরো ৬টি কোর্স যুক্ত হয়ে এখন মোট অনার্স কোর্সের সংখ্যা হল ১০টি। চালু হয়েছে মাস্টার্সও। উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে উপাধ্যক্ষ বলেন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ এখন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। নতুন অবকাঠামো বা ভবন নির্মাণকাজ বন্ধ আছে রহস্যজনক কারণে। ২০১২ সালে সুনামগঞ্জ সদর আসনের তত্কালীন সংসদ সদস্য মতিউর রহমান এমপি একটি পাঁচতলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন, কিন্তু সেই ভবন আলোর মুখ দেখেনি। অধ্যক্ষ প্রফেসর মেজর ছয়ফুল কবীর চৌধুরী বলেন, তিনি এ কলেজে যোগদানের পর থেকেই উপাধ্যক্ষ মহোদয়কে সাথে নিয়ে অনার্সে বিষয় বৃদ্ধি ও মাস্টার্স চালুর চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। এবারই এব্যাপারে ইতিবাচক ফল মিলেছে। অবকাঠামোগত সংকট থাকার পরও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অনার্সে বিষয় বৃদ্ধি ও মাস্টার্স চালুর অনুমোদন দিয়েছে।