ট্রলারডুবির ২২ দিন পর ফিরে এলেন ১৪ জেলে

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৪, ২২:৫১
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনার ২২ দিন পর নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার ১৪ জন সম্প্রতি জীবিত ফিরেছেন। গত ২০ জুলাই সন্ধ্যায় কক্সবাজার ও কুতুবদিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে তিনটি ট্রলার ডুবে যায়। এরপর থেকে ওই জেলেরা নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরো ২৬ জন। নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে রয়েছেন রামগতির সুজন গ্রামের আবদুল কুদ্দুসের ছেলে আব্বাস (৩৫), ইউসুফ মিয়ার ছেলে আব্বাস উদ্দিন (২১), ইদ্রিস মিয়া (৪৩), বালুরচরের হানিফ ফরাজির ছেলে বশির আহম্মদ (৪৬), হান্নান (৪২), আসলপাড়ার কামাল উদ্দিন (৪০), বাসু মাঝি (৫০), শিক্ষা গ্রামের নোমান উদ্দিন (৩২), বাংলাবাজারের মফিজ উদ্দিন (৪০), মিরাজ উদ্দিন (৩৫), কমলনগরের খায়েরহাট এলাকার আলমগীর (৪২), জসীম মাঝি (৫০), ইসমাইল (৩৪) ও সাহাব উদ্দিন (৫৫) এবং নোয়াখালীর চরবাঘা এলাকার ইব্রাহিম (৩০) ও সুবর্ণচরের আক্তার হোসেন (২৬)। অন্য নিখোঁজ জেলেদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। বেঁচে ফিরে আসা জেলে মাইন উদ্দিন জানান, কমলনগরের মহিউদ্দিন কোম্পানির এফবি হান্নান শরিফ-২ এবং চট্টগ্রামের বেঙ্গল কোম্পানির এফবি মুক্তার মালা-১০ ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরে তারা ২১ জন জেলে চট্টগ্রাম ঘাটে ফিরছিলেন। হঠাত্ ঝড়ের কবলে পড়লে ট্রলার দু’টি ডুবে যায়। পরে অন্য দু’টি ট্রলার এসে তাদের মধ্যে ১১ জনকে উদ্ধার করে। অপর ১০ জন নিখোঁজ হন। এদিকে উদ্ধার হওয়া অপর এক জেলে মো. বাবুল জানান, একইদিন তাদের ট্রলার ১৮ জন জেলেসহ সাগরে ডুবে যায়। তিনিসহ তিনজন উদ্ধার হলেও আরো ১৫ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। একই সময় রামগতির হাজী শহিদ কোম্পানির এফবি মা জননী-১ ট্রলারের মাঝি সিরাজ উদ্দিন প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে সাগরে ছিটকে পড়ে নিখোঁজ হন। সিরাজ উদ্দিনের বাড়ি রামগতির গুচ্ছগ্রাম এলাকায় বলে জানা গেছে। রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল নিখোঁজ জেলেদের ফিরে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।