বিভিন্ন জেলায় শীর্ষে যারা

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৪, ২১:৪৪
এইচএসসি ২০১৪ মুন্সীগঞ্জের ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বিভিন্ন জেলায় যারা শীর্ষে রয়েছে তাদের সংবাদ পাঠিয়েছেন ইত্তেফাক প্রতিনিধিরা। ড. ইয়াজউদ্দিন কলেজ মুন্সীগঞ্জে শীর্ষে প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মুন্সীগঞ্জ জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। ১৭৪ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৪০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে এবং পাস করেছে ১৭২ জন। জেলার সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি হরগঙ্গা কলেজ থেকে ১৩৩৮ জন পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ জন এবং পাস করেছে ১১১৭ জন। রামপাল কলেজ থেকে ৩৭৪ জন পরীক্ষা দিয়ে ১২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে এবং পাস করেছে ৩১২ জন। জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ বোর্ডে ২য় জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ রাজশাহী বোর্ডে ২য় স্থান অধিকার করেছে। ৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। কলেজের এ সাফল্য গত কয়েক বছর ধরে অর্জিত ধারাবাহিক সাফল্যেরই অংশ। পরীক্ষার্থী ক্যাডেটবৃন্দ তাদের এ সাফল্যের পেছনে কলেজ কর্তৃপক্ষ, শিক্ষকবৃন্দ এবং বিশেষভাবে তাদের অভিভাবকবৃন্দের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন। কলেজ অধ্যক্ষ বলেন, জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজের এ সাফল্যের ধারা ভবিষ্যতেও অক্ষুণ্ন থাকবে। সরকারি মহিলা কলেজ পঞ্চগড়ে প্রথম গতবারের মত এবারো পঞ্চগড় জেলায় প্রথম হয়েছে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ। ৬৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৫৫১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৬ জন। জেলার মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ। ৫৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪৩৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন। দেবীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। ৬৭৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪৭৪ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪ জন। চতুর্থ স্থানে আটোয়ারীর মির্জা গোলাম হাফিজ ডিগ্রী কলেজ থেকে ৪৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৩৩৮ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। ছারছিনা দারুত্সুন্নাত আলিয়া মাদ্রাসা বোর্ডে ৭ম ছারছিনা দারুত্সুন্নাত আলিয়া মাদ্রাসা এবারের আলিম পরীক্ষায় ৭ম স্থান লাভ করেছে। ১৭৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে এবং পাসের শত ভাগ। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. শরাফত আলী বলেন, ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এ সাফল্য। কুমিল্লা বোর্ডে টপ-টুয়েন্টি কলেজের ১২টি কুমিল্লায় কুমিল্লা বোর্ডের টপ-টুয়েন্টি কলেজের ১২টি কলেজ কুমিল্লা জেলায়। প্রথম স্থানে রয়েছে কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ, তৃতীয় কুমিল্ল¬া ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, ৫ম কুমিল্লার সোনার বাংলা কলেজ, ৬ষ্ঠ কুমিল্ল¬া ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, ৭ম স্থানে কুমিল্ল¬া শিক্ষা বোর্ড মডেল কলেজ, ১০ম কুমিল্লার দাউদকান্দির জুরানপুর আদর্শ কলেজ, ১২তম কুমিল্লার কালিকাপুর আবদুল মতিন খসরু কলেজ, যুগ্মভাবে ১২তম কুমিল্লার মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী ডিগ্রী কলেজ, ১৬তম কুমিল্লা সিটি কলেজ, ১৭তম কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া হাইস্কুল এন্ড কলেজ, ১৮তম কুমিল্লার ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজ, ১৯তম কুমিল্ল¬ার মুরাদনগরের অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজ। ঝালকাঠি নেছারাবাদ মাদ্রাসা বোর্ডে তৃতীয় হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ. প্রতিষ্ঠিত ঝালকাঠী নেছারাবাদ কামিল মাদ্রাসা আলীম পরীক্ষায় ১১৮টি জিপি-এ-৫ পেয়ে মাদ্রাসা বোর্ডে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। পাসের হার শতভাগ। গত বছর এ প্রতিষ্ঠানটি আলিমে বোর্ডে প্রথম স্থান লাভ করে। অধ্যক্ষ মাওলানা খলিলুর রহমান নেছারাদি হুজুর বলেন, সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ক্লাসটেস্ট গ্রহণ, দুর্বল ছাত্রদের জন্য বছরের বিভিন্ন সময়ে ফীডব্যাক ক্লাসসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ায় এ প্রতিষ্ঠান বরাবরই ভাল ফলাফল করে আসছে। মাগুরায় বিহারী লাল কলেজ জেলায় শীর্ষে যশোর বোর্ডে মাগুরার শালিখা উপজেলার বিহারী লাল শিকদার ডিগ্রী কলেজ থেকে ৫৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩ জনই জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ। সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে ৪৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে । শ্রীপুর ডিগ্রী কলেজ ২০ জিপিএ-৫ পেয়ে পেয়েছে । সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ বোর্ডে ১৪তম সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ সিলেট বোর্ডের সেরা বিশে ১৪তম স্থান অধিকার করেছে। ৯৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৮২৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৮ জন।