ইবোলা ভাইরাস প্রতিরোধে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে বুধবার থেকে বিশেষ মেডিক্যাল ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। সকাল থেকেই এ ক্যাম্পে ভারত থেকে আগতদের শরীরে ইবোলা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্তকরণের কাজ শুরু করে চার সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম। গঠিত মেডিক্যাল টিমে রয়েছেন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. প্রভাকর মজুমদারসহ একজন স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও দুইজন স্বাস্থ্য সহকারী।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. সালেহ আহমেদ ভোমরা স্থলবন্দর এলাকায় মেডিক্যাল টিম স্থাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ভোমরা স্থল বন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় পাসপোর্ট যাত্রীদের শারীরিক পরীক্ষা জন্য ৪ সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম বুধবার সকাল থেকে কাজ শুরু করেছেন। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ভোমরা বন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে এবোলা ভাইরাস পরীক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো জানান, যদি কারো শরীরে ইবোলা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়, তবে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় চিকিত্সা দেয়া হবে।
টেকনাফ সীমান্তে সতর্কতা
টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা জানান, সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের ইবোলা ও ভ্রেনফিভার ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার খবরে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে সর্তকর্তা নির্দেশ জারি করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মখলেছুর রহমান খান এর সত্যতা নিশ্চত করেন।
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোজাহিদ জানান, বুধবার টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লে¬ক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার টিটু চন্দ্র শীলের নেতৃত্বে একটি মেডিক্যল টিম স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছে। প্রতিদিন এই মেডিক্যাল টিম মিয়ানমার থেকে আসা নাগরিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ চালিয়ে যাবে। তবে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মিয়ানমার নাগরিক কোন না কোনভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। তাদের এই ভাইরাস আছে কিনা তা নিয়ে সন্দহ থেকে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে টেকনাফ ৪২ বিজিবির ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ জানান, মিয়ানমারে ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথে সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা সতর্কাবস্থানে রয়েছেন। কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মখলেছুর রহমান খান জানান, এ ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
