বাগেরহাটের মংলায় এক হোটেল বয়কে পিটিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে মো. সোলায়মান (৩৫) নামে এক পর্যটককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাগেরহাটের একটি আদালত। বুধবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আসামির অনুপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন।
নিহত মো. আল আমিন (১৮) বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ভাটখালী গ্রামের মো. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। আল আমিন মংলা পোর্ট পৌরসভার আব্দুল হাই সড়কে অবস্থিত আবাসিক হোটেল সিঙ্গাপুরে ওয়ার্ড বয় হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. সোলায়মান নোয়াখালী জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মোহম্মদপুর গ্রামের মো. নবী উল্লাহর ছেলে। ২০০৭ সালের ৭ আগস্ট সোলায়মান গভীর রাতে হোটেল বয় আল আমিনকে মারধর করে আহত করার পর টাওয়াল গলায় পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বাথরুমে ফেলে রাখে। হোটেলের আলমারী ভেঙ্গে নগদ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
কিশোরগঞ্জে প্রেমিকাকে হত্যার দায়ে প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রেমিকাকে হত্যার দায়ে প্রেমিক জামালকে (২৯) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। জেলা ও দায়রা জজ আ. মে. মো. সাঈদ বুধবার প্রেমিকা স্বপ্না আক্তারকে খুনের দায়ে জামালকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ প্রদান করেন। প্রেমিক-প্রেমিকা উভয়ের বাড়ি নেত্রকোনার দাপুনিয়া এলাকায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, স্বপ্না আক্তার ঢাকার একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে কাজ করত। পরিচয়ের সূত্র ধরে জামাল স্বপ্না আক্তারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর জামাল বিভিন্ন সময়ে স্বপ্না আক্তারের নিকট থেকে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। বিয়ের জন্য চাপ দিলে জামাল নানা টালবাহানা করতে থাকে। অবশেষে ২০১০ সালের ২৩ নভেম্বর রাতে বিয়ের মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে স্বপ্না আক্তারকে নিয়ে বাসযোগে জামাল বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। জামাল পরে স্বপ্না আক্তারকে নিয়ে ভৈরব বাসস্ট্যান্ডে নেমে পড়ে। সেখান থেকে বেলাব সিএনজি স্টেশনসংলগ্ন নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে জামাল গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্বপ্না আক্তারকে খুন করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
কিশোরগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
স্ত্রী হত্যার দায়ের স্বামী মলাই মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জের তৃতীয় আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ মোহাম্মদ আল আমীন বুধবার এই রায় প্রদান করেন।
মামলার বিবরণে প্রকাশ, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব কাতিয়ারচর গ্রামের মলাই মিয়া ও তার স্ত্রী হেনা খাতুনের মধ্যে পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। ২০০২ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে হেনা খাতুনকে তার স্বামী ছুরিকাঘাত করে। হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শেষে আসামির বিরুদ্ধ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
