ভারতীয় ভিসা পেতে বিড়ম্বনা

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৪, ২১:২২
ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশি ভিসা অতি সহজেই ২/১ দিনের মধ্যেই পেয়ে থাকেন এবং বাংলাদেশি ভিসার জন্য ভারতীয় নাগরিককে কোনো প্রকার ভিসা ফি জমা দিতে হয় না। কিন্তু বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতীয় ভিসা পেতে নানা ধরনের বিড়ম্বনা পোহাতে হয়। বর্তমানে ভারতীয় ভিসা পাওয়ার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। অতীতে অনলাইনে সাক্ষাত্কারের তারিখ পাওয়াটা সহজ হলেও এখন ভারতীয় ভিসার সাক্ষাত্কারের তারিখ পেতে আবেদনকারীকে অসহনীয় ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়। ভারত সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশিদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করার পর দিনের পর দিন সাক্ষাত্কারের তারিখ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ৫ দিনের মধ্যে তারিখ না পেলে আবেদনকারীকে আবার নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। সারাদিন চেষ্টার পর কখনো-সখনো ১/২ মিনিটের জন্য সাক্ষাত্কারের তারিখ প্রদান করলেও একটি তারিখ নেওয়ার জন্য বেশ কিছু সময়ের প্রয়োজন হয়। অনেক কষ্ট করে পরিবারের একজন সদস্যের জন্য সাক্ষাত্কারের তারিখ পাওয়া গেলেও ওই অল্প সময়ের কারণে অন্যদেরটা নেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে পরিবারের সবাই একসঙ্গে আবেদন করতে ব্যর্থ হন। এমনকি কোন সময়ে সাক্ষত্কারের তারিখ দেওয়া হবে তার কোনো নির্ধারিত সময় না জানানোর কারণে সারাদিন কম্পিউটার অন রেখে চেষ্টা করতে হয়। এটা অমানবিক আচরণের পর্যায়ে পড়ে। অনেকে দিনের পর দিন অনলাইনে সাক্ষাত্কারের জন্য আবেদন করতে ব্যর্থ হয়ে বিভিন্ন সাইবার ক্যাফে বা কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের কাছে বাধ্য হয়ে যেতে হয়। এতে আবেদনকারীর প্রায় ১৫০০/২০০০ টাকা খরচ হয়ে যায়, যা আবেদনকারীর জন্য নিয়মবহির্ভূত বাড়তি বোঝা। দ্বিতীয়ত, ভারত সরকার ভারতীয় ভিসা প্রসেসিংয়ের অজুহাতে ভিসা ফি বাবদ ৪০০ টাকা আবেদনকারীর কাছ থেকে আদায় করে থাকে। যা অতীতে একসময় ছিল না। এই ধরনের আচরণ আদৌ আমাদের কাম্য নয়। যেখানে একজন ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশি ভিসা অতি সহজেই পেয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতীয় ভিসা পেতে এত দুর্ভোগ পোহাতে হবে কেন। ভারতীয় ভিসা যাতে বাংলাদেশিরা সহজে পেতে পারে, সেজন্য আশু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খন্দকার আবদুর রাশেদ, ২৭ শরাফতগঞ্জ লেন, গেন্ডারিয়া, ঢাকা ১২০৪