বিএনপির বার্ষিক ব্যয় ২ কোটি ২৭ লাখ আয় ৭৫ লাখ টাকা

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৪, ২২:২৬
দল পরিচালনায় বিএনপি ২০১৩ সালে ব্যয় করেছে ২ কোটি ২৭ লাখ ৩৬২ টাকা। পক্ষান্তরে এ সময় দলের আয় হয়েছে ৭৫ লাখ ৫ হাজার ৭৬২ টাকা। দলের ঘাটতি ১ কোটি ৫১ লাখ ৫৬৪ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইসিতে গিয়ে আয়-ব্যয়ের এই হিসাব জমা দেয়। ইসি সচিবালয়ের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১২ সালে দলটির আয় হয়েছিল ১ কোটি ৭৯ লাখ ১২ হাজার ২৩১ টাকা। এ সময় ব্যয় হয় হয়েছে ২ কোটি ২৬ লাখ ৯৩ হাজার ১৪৩ টাকা। বিএনপির আয়ের প্রধান উত্স হিসেবে নেতাকর্মীদের চাঁদার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যয়ের খাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দলটির বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, লিফলেট, স্টাফদের বেতন, জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকী। আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার শেষ তারিখ ছিল গত ৩১ জুলাই। কিন্তু বিএনপি সময় চেয়েছিল ১৪ আগস্ট পর্যন্ত। তাই বৃহস্পতিবার এসে দলের আয়-ব্যয়ের তথ্য জমা দিয়েছি। তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীদের চাঁদাই আমাদের আয়ের প্রধান উত্স। এছাড়া সভা-সমাবেশ ও দলের নানা কর্মসূচিতে আমরা এ টাকা ব্যয় করেছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, প্রতিটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে তাদের বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল দলগুলোর জন্য। হিসাব জমা দেয়ার তাগিদ দিয়ে গত জুনে রাজনৈতিক দলগুলোর সাধারণ সম্পাদক/মহাসচিব বরাবর চিঠি পাঠায় কমিশন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইসির নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৫টি দল হিসাব জমা দেয়। এছাড়া ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে। দশম সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি সময় চেয়েছে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত। বাকী দলগুলো আর্থিক প্রতিবেদন জমার অতিরিক্ত সময় চেয়ে ইসিতে আবেদন করেছে।