পদ্মার ভাঙ্গনে সুজানগরের ৩টি ইউনিয়ন হারিয়ে যাচ্ছে

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৪, ২৩:০২
পদ্মার ভাঙ্গনে সুজানগরের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ৩টি ইউনিয়নের শত শত ঘর-বাড়ি, হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলী জমি। ইউনিয়ন ৩টি হলো উপজেলার সাতবাড়ীয়া, মানিকহাট ও নাজিরগঞ্জ। ইতিপূর্বে পদ্মার দানবীয় থাবায় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ওই ৩টি ইউনিয়নের হরিরামপুর, সিংহনগর, বিলমাদিয়া, ফকিতপুর, সিন্দুরপুর, কন্দর্পপুর, ইন্দ্রজিতপুর, কাদিরপুর ও চররাজপুর গ্রামসহ মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, রাইপুর বাজার ও রাইপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এছাড়া নদীর বুকে হারিয়ে গেছে ওই জনপদের মানুষের হাজার হাজার বিঘা ফসলী জমি ও গাছপালা। ক্ষতিগ্রস্ত ওই সকল গ্রামের শত শত পরিবার বাড়ি-ঘর এবং ফসলী জমিসহ সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। এ বছর বর্ষার শুরুতেই ইউনিয়ন ৩টিতে নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ওই ৩টি ইউনিয়নের সাতবাড়ীয়া, নারুহাটি, শ্যামনগর, ভাটপাড়া, গুপিনপুর, মালিফা, মালফিয়া, গোয়ারিয়া, কামারহাট, মহনপুর, মহব্বতপুর, নাজিরগঞ্জ, হাসামপুর এবং বরকাপুর গ্রামে ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করায় গ্রামবাসী দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ভাঙ্গন কবলিত নারুহাটি গ্রামের পরেশ হালদার জানান, ভাঙ্গনে ইতিমধ্যে তার ফসলী জমি এবং গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে বসতভিটাটুকুও নদীতে হারিয়ে যাবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানালে তিনি ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় কোনো পদক্ষেপ নেননি।