প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আজ দ্বিতীয় অধ্যায়-কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং থেকে ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে আলোচনা করা হলো। এ প্রশ্নোত্তরগুলো সংগ্রহ করে পড়বে।
প্রশ্ন-১। ক্লাউড কম্পিউটিং কী? ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ বর্ণনা কর।
উত্তর: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক কম্পিউটিং ব্যবস্থা যা ইন্টারনেট ও একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ক্লাউড কম্পিউটিং, কম্পিউটিং শক্তি, অনলাইন পরিসেবা, ডেটা অ্যাক্সেস এবং ডেটা স্পেস প্রদান করে। ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস ব্যবহার শুরু করে। ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা প্রদানকারী কোম্পানিতে চার ধরনের ক্লাউড থাকতে পারে। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড : যে ক্লাউড সিস্টেমের সুবিধা ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেওয়া হয় তাকে পাবলিক ক্লাউড বলা হয়। সাধারণত যে কেউ পাবলিক ক্লাউডের সার্ভিস ভাড়া নিতে পারে, যেমন( Yahoo, Amazon, Google ইত্যাদি পাবলিক ক্লাউডের উদাহরণ।
২. প্রাইভেট ক্লাউড : কোনো কোম্পানি তাদের নিজেদের ব্যবহারের জন্য যদি একটি ক্লাউড ব্যবহার করে থাকে তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। সাধারণত ব্যাংকগুলো তাদের ডেটা রাখার জন্য প্রাইভেট ক্লাউড স্থাপন করে থাকে।
৩. হাইব্রিড ক্লাউড : পাবলিক ক্লাউড ও প্রাইভেট ক্লাউড একত্রে হাইব্রিড ক্লাউড তৈরি করে থাকে। এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়। আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেওয়া হয়।
৪. কমিউনিটি ক্লাউড : এ ধরনের ক্লাউড একাধিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারে। পাবলিক ক্লাউডের মতো যে টাকা দেয় সেই সার্ভিস পায়।
প্রশ্ন-২। ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্যগুলো লিখ।
উত্তর: ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
সমতুল্য শক্তি সম্পন্ন হার্ডওয়্যার কিনতে খরচ বেশি পড়ে।
অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস সঠিক কম্পিউটারকে আওতাভুক্ত করে।
যন্ত্রের প্রয়োগ যে কোনো ছোট বা বড় যন্ত্রের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা আছে।
সব সময় ব্যবহারের সুবিধা।
অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুতগতিসম্পন্ন।
প্রশ্ন-৩। ক্লাউড কম্পিউটিং কি ধরনের সুবিধা প্রদান করে তা লিখ।
উত্তর: ক্লাউড কম্পিউটিং এর অনেক ধরনের সুবিধা প্রদান করে।
টেকনোলজি অবকাঠামোর ব্যয় কমানো।
কর্মক্ষেত্রে অল্প ব্যয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা।
ব্যক্তিগত ফাইল আপলোড করা যায়।
অল্প সংখ্যক কর্মী দিয়ে অধিক কাজ করা।
হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও লাইসেন্স ফি-র জন্য অধীক অর্থ ব্যয় করতে হয় না।
হার্ডডিস্ক ক্রাশ করা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
যে কোনো সময়, যে কোনো স্থানে বসে কাজ করার ক্ষেত্র তৈরি করে জীবনকে আরও গতিশীল করা।
অল্প সময়ে বাজেট তৈরি করা।
তেমন কোনো ব্যক্তিগত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
স্বল্প মূল্যে লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যার পাওয়া যায়।
