ইরাকে মুখোমুখি যুদ্ধে কুর্দি ও আইসিস বাহিনী

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৪, ২২:৫৭
ইরাকের মসুল শহরের কাছে একটি বাঁধের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কুর্দি যোদ্ধারা অগ্রসর হচ্ছে। ইসলামপন্থী দল ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড সিরিয়া (আইসিস) এই বাঁধটি নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে কুর্দি বাহিনী এবং আইসিস গোষ্ঠী এখন মুখোমুখি অবস্থানে। মার্কিন জঙ্গি বিমান হামলা চালিয়ে কুর্দি যোদ্ধাদের সমর্থন দিচ্ছে। বাঁধের একটা অংশ কুর্দিরা দখল করেছে বলে জানিয়েছেন ইরাকে এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা। এদিকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেছেন, ইরাকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের জন্যে ব্রিটেনের প্রস্তুত হওয়া দরকার। খবর বিবিসি ও গার্ডিয়ানের। ইরাকি কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন জেট এবং ড্রোনগুলো শনিবার সারারাত শত্রুর অবস্থানের ওপর বোমা বর্ষণের পর গতকাল রবিবার ভোরের দিকে কুর্দি যোদ্ধারা সামনের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন জানিয়েছে, বিমান হামলায় ইসলামিক স্টেট যোদ্ধাদের ব্যবহার করা ১৪টি গাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। গত সপ্তাহে ইসলামিক স্টেট দজলা নদীর ওপর তৈরি এই বাঁধটি দখল করে। এই বাঁধ থেকে উত্তর ইরাকের পুরোটা জুড়ে বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হয়। ওদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেছেন, ইসলামিক স্টেট’র বর্বর আচরণ প্রতিহত করতে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ব্রিটেনকে তৈরি হতে হবে। দ্যা সানডে টেলিগ্রাফ পত্রিকায় এক নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, শুধুমাত্র বিমান হামলা চালিয়ে লাভ হবে না। সমস্যার সমাধানে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি মনে করেন, ইরাকের জন্য শুধুমাত্র মানবিক সহায়তা এখন যথেষ্ট নয়। তবে কবে নাগাদ বা কি ধরণের সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে, সে সম্পর্কে তিনি কোন ধারণা দেননি। ইরাকে খ্রিষ্টানদের রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়ায় ব্রিটিশ সরকারের সমালোচনা করেছে চার্চ অব ইংল্যান্ড। ইরাকের কুর্দি বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল তৌফিক দেস্তি বলেন, বাঁধের পূর্বাংশ আমাদের দখলে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ এখনো চলছে।