তোবার সব কারখানা শ্রমিকদের হাতে দেয়ার দাবি

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৪, ২৩:০১
আলোচিত তোবা গ্রুপের কারখানা মালিক পক্ষ চালু না করলে তা শ্রমিকদের হাতে বুঝিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও তেল-গ্যাস বিদ্যুত্ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির অন্যতম নেতা অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেন, মালিক কারখানা চালাতে না চাইলে আইন অনুসারে কারখানা বন্ধ করে শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়া হোক। অন্যথায় সরকার কারখানা বাজেয়াপ্ত করে চালাবে। আর সরকারও যদি কারখানা না চালায়, তাহলে শ্রমিকদের হাতে কারখানা বুঝিয়ে দেয়া হোক। তারা জানে কারখানা কিভাবে চালাতে হয়। গতকাল রাজধানীর শাহবাগে তোবা গ্রুপের পাঁচটি কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলনের সমর্থনে আয়োজিত এক সংহতি সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান। গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম আয়োজিত ওই সমাবেশে গার্মেন্টস শ্রমিক নেতা ছাড়াও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ন্যায্য মজুরির জন্য তোবার শ্রমিকরা যে সুশৃঙ্খল আন্দোলন করেছে তা অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হতে পারে। শ্রমিকরা সুশৃঙ্খলতার দৃষ্টান্ত দেখালেও মালিক পক্ষ ন্যূনতম সহানুভূতি দেখাননি। তারা শ্রমিকদের পিটিয়ে ও পুড়িয়ে মারছে। আলোচনায় মোশরেফা মিশু বলেন, দেলোয়ারকে কারাগার থেকে বের করে আনার জন্য ঈদের আগে ১৬শ’ শ্রমিককে জিম্মি করা হয়। মালিকরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে ঈদ করলেও শ্রমিকদের ঈদ কেটেছে কারখানায় অনশন করে।। এ সময় অন্যদের মধ্যে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার নেতা জুনায়েদ সাকি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সামিনা লুত্ফা, আব্দুস সাত্তার, তোবা গ্রুপ শ্রমিক সংগ্রাম কমিটির নেতা মন্টু ঘোষ, শবনম হাফিজ, সুমন মল্লিক, ছাত্রনেতা সরকার আল ইমরান, প্রবীর সাহা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।