উপজেলার খানসামার গছাহার, গোয়ালডিহি ও দুবলিয়া গ্রামের পথচারী আর স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের একমাত্র যাতায়াতের রাস্তা ইছামতি নদীন সাঁকোরপাড়।
স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় থেকে ওই স্থান দিয়ে নৌকায় করে লোকজন যাতায়াত করতো। পরে কালের ধারায় নৌকার পরিবর্তে স্থানীয় উদ্যোগে নির্মিত হয় একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো। ফলে ওই সাঁকো দিয়ে এলাকাবাসী আর পথচারীদের যাতায়াত ক্রমে বেড়ে যায় এবং নদীর ধারে ঘন জনবসতি গড়ে ওঠে।
এই সাঁকোর জায়গায় একটি ব্রিজের অভাবে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। এখানে একটি ব্রিজের অভাবে ভাঙা সাঁকোর নিচ দিয়ে ওই এলাকার হাজার হাজার মানুষ ও শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগে চলাচল করতে দেখা গেছে। সারাবছর নদী পার হয়ে দুবলিয়া ও গছাহার গ্রামের প্রায় কয়েকশ’ শিক্ষার্থী পূর্বপাড়ের সাঁকোরপাড় মাদ্রাসা এবং বাংলাভাষা কলেজে আর পশ্চিম পাড়ের প্রায় আড়াইশ’ শিক্ষার্থী পূর্বপাড়ের চড়কডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পীরেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে।
একইভাবে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লালদীঘি ক্লিনিকে গর্ভবতী মহিলাদের নিয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হন সাধারণ মানুষ। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন লিটন জানান, গুরুত্বপূর্ণ ওই স্থানটিতে একটি ব্রিজের ব্যবস্থা করতে আমি জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।
