না থেকেও দারুণভাবে আছেন তিনি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের স্মৃতিচারণ করতে গেলেই তিনি ফিরে আসছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে বাংলাদেশের কীর্তির কথা মনে করলেই ফিরে আসছে তার কথা। এই তো গত পরশু ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএলে) বারবাডোজ যখন চ্যাম্পিয়ন হল, তখনও ফিরে এলো তার নাম—ইস্্, আজ এই দলে থাকতে পারতেন সাকিব আল হাসান।
এই আফসোস, এই স্মৃতিচারণে বারবার ফিরে ফিরে আসতে থাকা সাকিব গতকাল আবার আলোচনায় ফিরে এলেন। গত বছর ডিসেম্বর মাসে হারানো টেস্ট অলরাউন্ডার র্যাংকিংয়ের শ্রেষ্ঠত্বটা আবার ফিরে পেলেন সাকিব আল হাসান। রবিচন্দন অশ্বিন ও ভারনন ফিল্যান্ডারকে হটিয়ে রিলায়েন্স-আইসিসি টেস্ট অলরাউন্ডার র্যাংকিংয়ের এক নম্বরে আবার উঠে এসেছেন ৩৬৪ পয়েন্টের মালিক সাকিব। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের আফসোসটা আরও বাড়িয়ে দিলেন—এমন সময়ে সাকিব নেই দলে!
আচরণজনিত অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে থাকা সাকিবকে সঙ্গে নিতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজগামী বাংলাদেশ দল। তবে নিজের ফেসবুক পেজে ঠিকই দলের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। দলের খেলোয়াড়রা ‘কোড অব কন্ডাক্টে’র কারণে সাকিব বিষয়ে কথা বলছেন না। কিন্তু তারাও নিশ্চয়ই ওয়েস্ট ইন্ডিজে বসে সাকিবের এই সুখবর পেয়ে সমান খুশী হয়েছেন। ২০১১ সালে প্রথম আইসিসি টেস্ট অলরাউন্ডারদের র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ওঠার পর বছর দুয়েক প্রায় অপ্রতিদ্বন্ধী ছিলেন। এরপর মাঝে মাঝে মোহাম্মদ হাফিজ, জ্যাক ক্যালিসদের কাছে জায়গা হারালেও সেটা আবার উদ্ধার করেছেন। সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে সাকিবকে সরিয়ে এক নম্বর হয়ে যান রবিচন্দন অশ্বিন।
এক দিকে সাকিব খেলার বাইরে থাকা এবং অন্য দিকে দু’ জনের ভালো পারফরম্যান্স মিলিয়ে গত সপ্তাহেই তিন নম্বরে নেমে যান বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। এক নম্বর ধরে রেখেছিলেন অশ্বিন এবং সাকিবকে আরও এক ধাপ পিছিয়ে দিয়ে দুই নম্বরে চলে যান ফিল্যান্ডার। অবশেষে এই দু’ জনের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় জায়গাটা আবার ফিরে পেয়েছেন সাকিব। অশ্বিনের রেটিং ৩৭২ থেকে কমে ৩৫৭ হয়ে গেছে। আর ফিল্যান্ডারের রেটিং ৩৬৫ থেকে কমে চলে গেছে ৩৪৮-এ। ফলে আপনাতেই দু’ জনেরই ওপরে চলে এসেছেন সাকিব।
