গাইবান্ধা জেলায় একটি সদর হাসপাতাল, ছয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, একটি বক্ষব্যাধি ক্লিনিক, একটি ১০ বেডের পল্লী চিকিত্সা সেবা কেন্দ্র, ৩৬টি ইউনিয়ন সাব সেন্টার ও ২৮৬টি ওয়ার্ড কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। তারপরও জেলার মানুষ মূলত ব্যবস্থাপনার সংকটে সু-চিকিত্সা থেকে বঞ্চিত। সরকারিভাবে সরবরাহকৃত বেশির ভাগ ওষুধ পাচার হয়ে যায়। খাবার নিম্নমানের, অনেক সময় রোগীদের পক্ষে খাওয়া সম্ভব হয়না। প্রতিটি হাসপাতাল ও চিকিত্সা কেন্দ্রের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর। বাথরুম ভেসে যায় মলমুত্রে।
মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, ইএনটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পদ থাকলে কখনও সে সব পদে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকদের পাঠানো সম্ভব হয়নি। কয়েকবার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকদের সেখানে পাঠানো হলেই তারা কেমন করে যেন বদলি বাতিল করে ফেলেন।
এক্সরেসহ পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু ব্যবহার না হওয়ায় সব যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে গেছে। মেরামত করা হয়নি। অপারেশন থিয়েটার থাকলেও দক্ষ চিকিত্সকের অভাবে অপারেশন হয় না। কোন কোন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটার স্টোর রুম হিসাবে ব্যবহূত হচ্ছে। দালালদের দৌরাত্ম্যে হাসপাতাল ও চিকিত্সা কেন্দ্রে আগত রোগীরা অস্থির হয়ে থাকেন। ১৮২ জন চিকিত্সকের মধ্যে ১১৮টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূণ্য। ৬৪ জন চিকিত্সক কাগজপত্রে কর্মস্থলে থাকলেও রোগীদের পক্ষে তাদের দেখা পাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার। তারা প্রাইভেট ক্লিনিকে দিন-রাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। চিকিত্সকদের জন্য জেলা সদরসহ প্রতিটি উপজেলায় সুন্দর বাসস্থান থাকলেও বেশিরভাগ চিকিত্সক সেখানে থাকেন না। ইত্তেফাকের অনুসন্ধানে এসব মন খারাপ করা তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
এদিকে জেলার ৮২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৪টি ইউনিয়ন তিস্তা, বহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর চরাঞ্চলে অবস্থিত। কিন্তু কোন নৌ এ্যম্বুলেন্স বা যন্ত্রচালিত নৌকা না থাকায় চরাঞ্চলের গুরুতর রোগী নদী পার হওয়ার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
খুড়িয়ে চলছে গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতাল
গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিত্সা সেবা চলছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে। দীর্ঘদিন ধরে চারজন বিশেষজ্ঞসহ ছয়জন চিকিত্সকের পদশুণ্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিত্সক, নার্স, কর্মচারি নেই। রোগীর ওয়ার্ড, বাথরুম নিয়মিত পরিস্কার করা হয় না। খাবার নিম্নমানের। দালালদের দৌরাত্ম অসহনীয় পর্যায়ে। কুকুর বিড়ালের অবাধ বিচরণের ফলে দুষিত হয়ে পড়েছে হাসপাতালের পরিবেশ। ১০০ শয্যার হাসপাতাল হলেও গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ জন রোগি ভর্তি থাকেন। ফলে মেঝে ও বারান্দায় রোগী রেখে চলে চিকিত্সা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় ২৬ লাখ মানুষের আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য ২০০৩ সালে ৫০ শয্যার গাইবান্ধা সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। নাম দেয়া হয় গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতাল। কাগজে কলমে শয্যা বাড়ানো হলেও দীর্ঘ ১১ বছরেও হাসপাতালের জনবল বাড়ানো হয়নি। বহিঃ বিভাগে চিকিত্সা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগের শেষ নেই। এখানে চিকিত্সা নিতে আসা শহরের পলাশপাড়ার বাসিন্দা জিল্লুর রহমান (৪৮), ডেভিড কোং পাড়ার পারভিন সুলতানা (৫২) অভিযোগ করেন, হাসপাতালে অত্যাধুনিক এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি মেশিন রয়েছে। কিন্তু সেগুলো কাজ করে না। রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে করতে হয়। হাসপাতালে ২১ নম্বর বেডে চিকিত্সাধীন গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া গ্রামের হোসেন আলী বলেন, কয়েকদিন আগে ভর্তি হয়ে বিপদে পড়েছি। অপরিচ্ছন্ন বাথরুমে যাওয়া দুরের কথা, দুর্গন্ধে বিছানায় থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে। ২৭ নম্বর বেডে চিকিত্সাধীন সদর উপজেলার সোনাইডাঙ্গা গ্রামের এজাজুল হক বলেন, ‘হামরা গরীব মানুষ। ট্যাকার অভাবোত সোরকারি হাসপাতালোত ভততি হচি। কিনতু হামারঘরোক অষুধ দেয়না। খালি বাইর থ্যাকি কিনব্যার কয়। ভাত তরকারি দ্যায় তাক খাওয়ান যায়না।’
আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আবু হানিফ বলেন, চিকিত্সক সংকটের কারণে ভর্তি রোগী এবং বহিঃ বিভাগের রোগীদের ঠিকভাবে চিকিত্সা দেয়া যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের অভাবে স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগ এবং শিশু বিভাগের রোগীদের চিকিত্সা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৭০ জন ভর্তি রোগী থাকে। অন্যদিকে বহি:বিভাগে চিকিত্সার জন্য আসে ৩৫০ থেকে ৪০০ রোগী।
জেলা কমিনিষ্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মিহির ঘোষ জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা এখানে এসে স্থানীয় ক্লিনিক মালিক ও বিএমএ নেতাদের কারণে থাকতে পারেন না। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা এখানে থাকলে স্থানীয় ক্লিনিক মালিক ও বিএমএ নেতাদের ব্যবসায় ভাটা পড়ে।
সাদুল্লাপুরে রোগীর ব্যবস্থাপত্র দেন চিকিত্সক সহকারী
সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সক সংকটের কারণে জরুরী, আন্ত: ও বহিঃবিভাগ রোগির ব্যবস্থা পত্র দিচ্ছেন চিকিত্সা সহকারী। এখানে দীর্ঘদিন ধরে জুনিয়র কনসালটেন্ট এনেসথেসিয়া, জুনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, জুনিয়র কনসালটেন্ট সার্জারি, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি, আরএমও, ডেন্টাল সার্জন, ৮ জন মেডিকেল অফিসার ও ৩ জন নার্স এর পদশূণ্য রয়েছে। বর্তমানে দুইজন ডাক্তার দিয়ে কোনমতে চিকিত্সা সেবা দেয়া হচ্ছে।
উপজেলা প: প: ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার আখতার আলম ডন জানান, তিন বছর আগে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও এখন পর্যন্ত এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল, অর্থ, পথ্য, যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র বরাদ্দ দেয়া হয়নি। একটি মাত্র এক্সরে মেশিন, তাও অকেজো। ওটি আছে তবে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রের অভাবে তা কোন কাজে আসছে না। ওষুধ রাখার মত ভালো স্টোর রুম নাই। ওটি এখন ব্যবহার হচ্ছে স্টোর রুম হিসাবে। জেনারেটরটি দীর্ঘদিন থেকে নষ্ট। বিষয়গুলো উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
পলাশবাড়ীতে দুর্ঘটনার রোগী বেশি
দীর্ঘদিন ধরে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র ৫ জন চিকিত্সক দিয়ে ঢিমেতালে স্বাস্থ্যসেবা চলছে। দুইজন নার্স, বাবুর্চি ও মশালচির পদ পদশূণ্য রয়েছে। নয়বছর ধরে এক্সরে মেশিন অকেজো। আল্টাসোনোগ্রাম ও ইসিজি মেশিন নেই। জেনারেটর থাকালেও তেল বরাদ্দ না থাকায় তা চলে না। বিদ্যুত্ গেলে ভুতুড়ে অবস্থার সৃষ্টি হয়।
পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: আব্দুল জলিল জানান, বাথরুমগুলো নিয়মিত পরিস্কার করা হয়ে থাকে। তবে প্রয়োজনীয় নার্স ও চিকিত্সকের অভাবে চিকিত্সাসেবা ব্যহত হচ্ছে। রোগীর চাপ বেশি হলেও হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিত্সক দেয়া হচ্ছে না। তিন বছর পূর্বে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও এখন পর্যন্ত এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল, অর্থ, পথ্য, যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র বরাদ্দ দেয়া হয়নি।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই চিকিত্সক
উপজেলার প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের একমাত্র চিকিত্সা কেন্দ্র সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ৩১ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু জনবল ও চিকিত্সক সংখ্যা বাড়েনি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি এখন চলছে দু’জন চিকিত্সক দিয়ে। তারমধ্যে একজন হল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। অন্যজন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মলয় কুমার। তিনি একাই সব দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপারেশন থিয়েটার থাকলেও সেটি দীর্ঘদিন থেকে তালাবদ্ধ রয়েছে। এক্স-রে, ইসিজি, প্যাথলজি ও ডেন্টাল ইউনিট থাকলেও সেগুলো কোন কাজে আসছে না। অনেক সময় চিকিত্সক না থাকায় আয়া, ওয়ার্ডবয়রা চিকিত্সা দিয়ে থাকে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.মলয় কুমার সরকার জানান, কষ্ট হলেও যথাসাধ্য চিকিত্সা দিয়ে যাচ্ছি। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুকুর মোল্লা জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শূণ্য পদ পূরণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনেকবার আবেদন জানানো হয়েছে।
ফুলছড়িতে মালি করছে ওয়ার্ড বয়ের কাজ
ফুলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে জুনিয়র কনসালটেন্ট এনেসথেসিয়া, জুনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, জুনিয়র কনসালটেন্ট সার্জারি, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি, ডেন্টাল সার্জন, মেডিকেল অফিসার ও ছয়জন নার্সসহ ৬৪টি পদশূণ্য রয়েছে। স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তাসহ মাত্র চারজন চিকিত্সক দিয়ে কোনমত সেবা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া পিয়নের মাধ্যমে হাসপাতালের টিকিট বিক্রি ও মালি দিয়ে ওয়ার্ড বয়ের কাজ চালানো হয়। এই হাসপাতালে দৈনিক গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগীকে চিকিত্সা দেয়া হয়।
ফুলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ অমল চন্দ্র সাহা জানান, বাথরুম, ওয়ার্ড নিয়মিত পরিস্কার করা হয়। প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও লোকবল চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না।
সাঘাটার অবস্থাও একই
সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরও একই অবস্থা। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তাসহ মাত্র তিনজন ডাক্তার দিয়ে চিকিত্সাসেবা দেয়া হচ্ছে। তিনমাস ধরে জেনারেটরটি বিকল হয়ে আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ সুলতান আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয় চিকিত্সক, নার্স ও কর্মচারি চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না।
গোবিন্দগঞ্জে চিকিত্সক আছে, সেবা নেই
জেলার ছয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে চিকিত্সক সংখ্যা বেশি। মোট চিকিত্সক নয়জন। কিন্তু স্বাস্থ্য সেবার চিত্র একই রকম। হাসপাতালে এক্সরে মেশিন থাকলেও সেটি চলে না। জেনারেটরের জন্য তেল বরাদ্দ না থাকায় সেটি চলে না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, এক্সরে মেশিন চালানোর জন্য ট্রান্সফরমার দেযার দিতে বিদ্যুত্ বিভাগকে বার বার তাগাদা দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না।
সিভিল সার্জনের বক্তব্য
সিভিল সার্জন ডাঃ আহাদ আলী বলেন, সদর আধুনিক হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। তবে প্রয়োজনীয় চিকিত্সক, নার্স ও লোকবল চেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। এ নিয়ে তাগিদও দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষকে রোগীদের ওয়ার্ড, বাথরুম নিয়মিত পরিস্কার রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে চিকিত্সাসেবা দেয়া হয় কিনা তা আমি নিজে তদারকি করে থাকি। রোগীরা বাজার থেকে ঔষুধ কেনার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে প্রতিটি কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত ঔষুধ পাঠানো হয়ে থাকে। এছাড়া ইতোমধ্যে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। জনবল, অর্থ, পথ্য, যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র বরাদ্দ দেয়া হলে অনেক সমস্যা লাঘব হবে।
