বদলে যাওয়া জিয়া

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৪, ১৯:৫৫
জিয়াউল হক। বর্তমানে বসুন্ধরা গ্রুপের বিপনন বিভাগে নির্বাহী হিসেবে কাজ করছেন। আর আট-দশটা তরুণের মতো জিয়াউলের শৈশব-কৈশোর কেটেছে অন্যরকম স্বপ্ন বুনে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের মাঝিকাড়ায় জন্ম নেয়া তরুণ শৈশবে সাতাঁরের খুব ভক্ত ছিলেন। গ্রামের নদীতে সাতাঁর কেটে সময় পার করা আর প্রতিবার স্কুলের সাতাঁর প্রতিযোগিতায় প্রথম জিয়ার স্বপ্ন ছিলো বড় হয়ে দেশসেরা সাতাঁরু হবেন। নবীনগর পাইলট হাইস্কুল ও নবীনগর সরকারী কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হবার পরে জিয়া ভর্তি হন সবুজেঘেরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। পাহাড় ও প্রকৃতির মুগ্ধ আলিঙ্গন জিয়াকে একটু একটু করে বদলে দেয়। ভীষণ ডানপিটে ছেলেটির মনে সিনেমা নাটক বানানোর স্বপ্ন ভর করে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই জিয়া অভিনয়ে জড়িয়ে পড়েন। বন্ধু তুমি আমার, ভালোবাসার ডিরেক্টর, ৪২০ মহল্লা নামের তিনটি টিভি নাটকে অভিনয় করেন। এছাড়া ‘সখী ভালোবাসা কারে কয়’ নামের একটি নাটকে প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেন এ মেধাবী তরুণ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে ঢাকায় এসে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে ভর্তি হন জিয়াউল। জীবনের তাগিদ নিজেকে অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবার স্বপ্নটাকে যেন একটু দূরে ঠেলে দেয়! এমবিএ শেষ করতে না করতেই জিয়ার চাকরি মিলে যায় বসুন্ধরা গ্রুপের বিপণন বিভাগে। ইদানিং বিপণনের পাশাপাশি ব্রান্ডিং-এর কাজও করছেন এ তরুণ। জিয়াউল ভবিষ্যতে ব্রান্ডিং নিয়ে উচ্চতর পড়াশোনারও স্বপ্ন দেখছেন এখন। আর এই স্বপ্ন দেখার গন্ডিটা যত বড় হচ্ছে, নিজের পেশাদারিত্ব বাড়াতে তত বেশি কাজ করে যাচ্ছেন। নিজের দক্ষতা আর কর্মকৌশল বৃদ্ধির সাথে সাথে নিজের প্রতিষ্ঠানকেও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি।