সৈয়দপুরে চোরাই পথে আসা ভারতীয় হরলিক্সের ছড়াছড়ি

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৪, ২১:২৪
ভারত থেকে চোরাই পথে অবৈধভাবে আসা হরলিক্স সৈয়দপুরসহ আশেপাশের এলাকায় সয়লাব হয়ে গেছে। এসব হরলিক্স কনফেকশনারীসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বেচাকেনা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান জিএসকে’র পণ্য বাংলাদেশের ফ্যাক্টরিতে উত্পাদিত হরলিক্স পুষ্টিগুণে ভরপুর থাকা সত্বেও ভারতীয় হরলিক্সের আগ্রাসনে চরমভাবে মার খাচ্ছে। একটি অসাধু ব্যবসায়ীচক্রের সহযোগিতায় স্থানীয় চোরাকারবারিরা ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে নিয়ে আসছে হরলিক্স। তারা ওইসব হরলিক্স নীলফামারীর সৈয়দপুরে সরবরাহ করছে স্থানীয় কনফেকশনারীসহ বিভিন্ন মুদি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। ভারতীয় এসব হরলিক্সের আমদানির তেমন কোন খরচ না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা হরলিক্সের প্রতি জার ক্রেতাদের মাঝে বিক্রি করছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। অথচ বাংলাদেশি হরলিক্সের বৈধভাবে কাঁচামাল আমদানি করে তৈরিসহ ক্রেতাদের মাঝে বিক্রি করতে হয় ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকা দরে। দামের পার্থক্য ও ভারতীয় হরলিক্সে জার প্রতি বেশি লাভ হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ভারতীয় হরলিক্সে ঝুঁকে পড়েছে। এক্ষেত্রে ক্রেতারা শুধুমাত্র দামে কম হওয়ার কারণে কোয়ালিটি না দেখে ভারতীয় হরলিক্স ক্রয় করছেন। এতে করে সরকারের বিপুল পরিমাণ শুল্ক, রাজস্ব প্রদান করা দেশীয় তৈরি হরলিক্স বাজার চরমভাবে মার খাচ্ছে। হরলিক্স উত্পাদিত কোম্পানি জিএসকে’র স্থানীয় এজেন্ট রুচি কনফেকশনারীর পরিচালক সাকিব আহমেদ জানান, ভারতীয় হরলিক্স অবাধে আসার কারণে দেশের তৈরি হরলিক্স সৈয়দপুরে বেচাকেনা আশংকাজনকহারে কমে গেছে।