গত কয়েকদিন ধরে বেড়িবাঁধের ভাঙন আর জোয়ারের পানিতে ভাসছে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপকূল। ইতিমধ্যে লোকালয়ে প্রবেশ করছে লোনা পানি। সাগর তীরবর্তী বেড়িবাঁধ অরক্ষিত হওয়ায় জোয়ারের লোনাপানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এতে করে বসতবাড়ি, ফসল ও রাস্তাঘাট লোনাপনিতে তলিয়ে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
খানখানাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সবুর চৌধুরী জানান, তিন দিন ধরে জোয়ারের পানিতে ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রাম তলিয়ে গেছে। সরল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদার জানান, জোয়ারে তার ইউনিয়নেরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গণ্ডামারা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার কামাল উদ্দিন জানান, জোয়ারে আলকদিয়া ও গণ্ডামারা পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোনাপানি প্রবেশ করায় জনদুর্ভোগ বেড়ে গেছে। ৩-৪ ফুট উঁচুতে সাগরের পানি প্রবেশ করায় সাগর তীরবর্তী গ্রামগুলো লোনা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জোয়ারে তাদের লবণ ও চিংড়ি ঘেরের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এদিকে টানা তিন দিন ধরে উপকূলীয় এলাকা পানির নিচে থাকলেও প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধিদের কেউ এলাকা পরিদর্শনে যাননি।
