পিতা কাতার প্রবাসী ব্যবসায়ী। তিনি ছেলেকে হাত খরচের জন্য প্রতিমাসেই নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেন। কিন্তু পিতার দেয়া এ টাকার অঙ্কে মোটেই খুশি নয় নগরীর চান্দগাঁও কামালবাজার এলাকার ওয়াসিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র মো. শাহেদ। তার আরো টাকা চাই। অনেক টাকা নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করার ইচ্ছা শাহেদের। সে নিজেও ভাল অংকের টাকা আয় করে বিভিন্ন কাজ করে। কিন্তু তার আরো টাকা দরকার। তাই মনে মনে ফন্দি আঁটে অপহরণ নাটক সাজানোর।
পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১৩ আগস্ট বাসা থেকে বের হয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যায় শাহেদ। তার দুই বন্ধু অপহরণকারী সেজে বাসায় ফোন করে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে মুক্তিপণের পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকায় নেমে আসে। ঘটনার মাত্র ১৫ দিন আগে বাংলাদেশ থেকে কাতার ফিরে গিয়েছিলেন শাহেদের প্রবাসী পিতা মো. হোসেন। ছেলের অপহরণ সংবাদ পেয়ে দ্রুত দেশে ফিরে আসেন তিনি। এসে নগরীর চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন।
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুর রউফ ইত্তেফাককে বলেন, পিতার কাছ থেকে কৌশলে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য অপহরণ নাটক সাজিয়ে ছিল শাহেদ।
