যদিও গ্রেনাডার এই জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের রেকর্ড ব্যাটসম্যানদের পক্ষে। কিন্তু টস রিপোর্টে বলা হল, উইকেটে আর্দ্রতা আছে। সেই রিপোর্টকে সমর্থন করেই বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক ডোয়াইন ব্র্যাভো। বাংলাদেশের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও বললেন, তিনি টসে জিতলে বোলিং করারই সিদ্ধান্ত নিতেন।
এই সব মিলিয়ে যেমন মনে হল, বোলারদের তেমন সমীহ করেই শুরু করলেন বাংলাদেশের ওপেনাররা। দুই ওপেনার অত্যন্ত ধীরগতিতে শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত উইকেট টিকিয়ে রাখার খেলায় জিততে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে তাই এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ ৩৪ ওভারে ১৪১ রান তুলতে হারিয়ে ফেলেছে ৫ উইকেট। ভরসার কথা একটাই—৬৪ রান নিয়ে ব্যাটিং করছেন তখনও এনামুল হক বিজয়।
চার জন ওপেনারকে একাদশে নিয়ে বাংলাদেশ খেলা শুরুর আগে থেকেই একটু অতিসতর্ক ছিল; যাতে শুরুর অন্তত চার ব্যাটসম্যানই বিপর্যয় হলে নতুন বল সামাল দিতে পারেন। এই চার ওপেনারের মধ্যে ইনিংস শুরুর দায়িত্ব পান তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। তামিম আরও একবার স্বভাববিরুদ্ধ সতর্ক ব্যাটিং করতে থাকেন। দলীয় ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে বাংলাদেশ প্রথম বাউন্ডারির দেখা পায় তামিমের ব্যাট থেকে। দলীয় ৪১ রানে প্রথম উইকেট হিসেবে তামিমকেই আউট করে ফেরান জ্যাসন হোলডার। আউট হওয়ার আগে ৪৭ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলেছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তামিমের পথ ধরে দ্রুতই প্যাভিলিয়নে ফিরে আসেন তিন ও চার নম্বরে নামা আরও দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস ও সামসুর রহমান শুভ। ইমরুল ব্যক্তিগত ৯ রানে রানআউট হয়ে ফেরেন এবং সামসুর ৮ রান করে ব্র্যাভোর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
মুশফিকুর রহিমও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি। ২১ বলে ১২ রান করে ক্রিস গেইলের বলে সুনীল নারিনের অসাধারণ এক ক্যাচের শিকার হয়ে ফিরেছেন। সমান বল খেলে ১১ রান করে ফিরে গেলেন মাহমুদউল্লাহও।
তবে এই যাওয়া আসার মধ্যেও এক প্রান্তে ভরসা হয়ে টিকে ছিলেন এনামুল হক বিজয়।
অভিষেকের পর থেকে নিজের জায়গাটা মোটামুটি পাকা করে ফেলা বিজয় এর আগে পাঁচবার চল্লিশের ঘরে আউট হয়ে গেলেও গতবাল ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো পঞ্চাশ পার করে ফেললেন।
