আতাউর রহমান। মঞ্চ অন্তপ্রাণ মানুষ। নিজে একজন সাংস্কৃতিক সমালোচকও বটে। নিজের আঙিনায়, ব্যক্তিত্বে গড়েছেন নিজের ভিন্ন এক জগত। তার ভালোলাগা মন্দলাগা নিয়ে ভিন্ন চোখে’র প্রতিবেদকের কাছে বলেছেন আপন আঙিনার খবর।
লিখেছেন মোস্তাফিজ মিঠু
আপনার বই পড়ার অভ্যাস
বই পড়া আমার ভালো লাগার একটি বিরাট অংশ। বাংলা অথবা ইংরেজী দুই সাহিত্যের উপরই আমার প্রবল ঝোক। তবে কবিতার বই একটু বেশি পড়ি। ‘সভ্যতার সংকট’, ‘রিলিজিয়ান অব ম্যান’, ‘রক্তকরবী’, ‘বিসর্জন’ বইগুলো অনেকবার পড়া হয়েছে। এছাড়া নতুন সব বইয়ের প্রতি আমার আগ্রহ বেশি কাজ করে। কারণ জ্ঞানের ব্যাপারে আমি সব সময় আপডেট থাকতে চাই। নতুন কোন বই পেলে তা পড়ার জন্য ব্যকুল হয়ে থাকি।
গানের ক্ষেত্রে কতটা আপ টু ডেট?
গানের ব্যাপারটা তো কিছুটা ভিন্ন। পুরনো দিনের গানের মধ্যে যে প্রাণ খুঁজে পাই এখন তেমন খুব একটা পাচ্ছি না। তবে গান শোনা হয় অনেক। রবীন্দ্রনাথ তো আমার সংগ্রহের বিশাল একটা অংশ। রবীন্দ্রনাথের প্রায় কয়েক হাজার গান আমার সংগ্রহে আছে। এছাড়া রাগসঙ্গীত, ওয়েস্টার্ন মিউজিকও আমি শুনি।
এমন কোন জায়গা আছে যেখানে বারবার যেতে ইচ্ছে করে?
আমি পৃথিবীর বহু দেশ ঘুরেছি। বারবার যেতে ইচ্ছে করে ইউরোপে। তবে ভারত আমার খুব একটি দেশ। নানান সংস্কৃতিপূর্ণ এই দেশটি আমাকে বরাবরই বিস্মিত করে। এছাড়াও আমার প্রিয় ভ্রমন স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে জার্মান, ইংল্যান্ড, গ্রিস, এথ্যান্স। আর দেশ তো আমার তাই নিজের দেশকে নিয়ে ভিন্ন ভাবে বলার কিছু নেই। দেশে প্রায় সব জায়গায় ঘুরতেই আমার ভালো লাগে।
আড্ডায় জমে যান কেমন?
পুরোই জমে যাই। প্রাণের একটা বড় অংশ আড্ডা। তবে শুধু আমারই না। আমার মনে হয় প্রতিটি মানুষই আড্ডা প্রিয়। বন্ধুদের সাথে প্রায় প্রতিদিনই আড্ডায় বসি। যেখানে হালকা কোন বিষয় নিয়েই আড্ডা জমে উঠে। দেশের পরিস্থিতি ও বিভিন্ন ইস্যু আড্ডার কেন্দ্র। এই জীবন আর জগত্ নিয়ে আমার আগ্রহের অন্ত নেই। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করে যেতে চাই।
