ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটি পরিচ্ছন্ন ভারতের স্বপ্ন দেখছেন। তিনি তার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছেন। কিন্তু পদক্ষেপ যতোই নেওয়া হোক না কেন কাজটি যে খুব সহজ হবে না সেটা সহজেই বলা যায়।
গত ১৫ আগষ্টের ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদী পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে মনযোগ দেন। কিন্তু তার সরকারের কেন্দ্রীয় অফিসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খুবই খারাপ। সেজন্য ভারতকে দুর্গন্ধমুক্ত করতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হলে আগে সরকারের মূল অফিসগুলোতেই চালাতে হবে অনেকে মনে করেন। মোদী ২০১৯ সালের আগে দেশে ৪০ কোটি টয়লেট নির্মানের ঘোষণা দিয়েছেন। একটি জরিপে দেখা গেছে, কিছু মন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার জন্য কেবল আধুনিক টয়লেট আছে। সরকারি নিম্ন পদস্থ কর্মচারীদের ব্যবহূত টয়লেটগুলো খুবই নোংরা। অনেক টয়লেট থেকে আসা দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে সেটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি মহিলাদের জন্য ব্যবহূত টয়লেটগুলোও নোংরা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। দিল্লির প্রয়াভারণ ভবন যেখানে গৃহায়ণ, পানি বিষয়ক, পরিবেশ ও বন এবং সংখ্যালঘুসহ বিভিন্ন মন্ত্রীর অফিস রয়েছে। সেই অফিসেও যেসব টয়লেট নিম্ন পদস্থ কর্মচারীরা ব্যবহার করেন সেগুলোর পরিবেশও ভাল নয়। ভবনের বিভিন্ন টয়লেটে নির্মানসামগ্রী রেখে দেওয়া হয়েছে। ভবনটিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মীও নেই। দিল্লির শাস্ত্রী ভবনেও একই চিত্র দেখা গেছে। এই ভবনটিতেও কয়েকজন মন্ত্রীর অফিস রয়েছে। এই অবস্থা থেকে বাদ যায়নি দিল্লির কৃষি ভবনও। এসব ভবনের টয়লেটের পরিস্থিতি উন্নতি না করতে পারলে অন্যান্য ভবনের টয়লেট পরিষ্কার করা তো অনেক দূরের পথ।
