হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে গত বৃহস্পতিবারে আটক হওয়ার পর গণপিটুনিতে আহত ১৩ জলদস্যুর মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশংকাজনক। আহত ১৩ জন জলদস্যু হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সাধীন রয়েছে।
এরা হচ্ছে মো. আজগর, আবদুল আজিজ, শাহজাহান, সফিয়ল আলম, মো. ছাদেক, জয়নাল, নুর হোসেন, বশির উল্যাহ, আবদুল খালেক, মো. কালু, দেলোয়ার হোসেন, আবু চোবহান ও আবদুল মালেক। এদের মধ্যে মো. আজগর (২৫), আবদুল আজিজ (২৮), শাহজাহান (২৪) সফিয়ল আলম (৩৫) ও মো. ছাদেকের (২৮) অবস্থা আশংকাজনক বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.আব্দুল কাদির জানান।
জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের অবস্থান রয়েছে শুনে বৃহস্পতিবার ভোরে হাতিয়ার জেলেদের টহল বোট (স্থানীয় জেলেদের সমন্বয়ে নিয়োগকৃত পাহারাদার) বঙ্গোপসাগরের দিকে যায়। এ সময় ডাকাত সন্দেহে তল্লাশি করলে জলদস্যুরা জেলেদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এক পর্যায়ে জেলেদের ট্রলারের ধাক্কায় জলদস্যুদের ট্রলারটি উল্টে গেলে জলদস্যুরা নদীতে ঝাপিয়ে পড়ে। পরে জেলেরা ১৩ জলদস্যুকে জীবিত উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে আসে। এসময় স্থানীয় জনগণ জলদস্যুদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে সন্ধ্যায় হাতিয়া থানা পুলিশ আহত জলদস্যুদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়ে আসে। আটক জলদস্যুদের বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় ডাকাতির মামল রুজু করা হয়েছে। জলদস্যুদের সকলের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গৌরা এলাকায়।
