১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট দিনাজপুরের ১০ মাইল নামক স্থানে পুলিশি হেফাজতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন তরুণী ইয়াসমিন। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জনতা তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। জনতার দাবির প্রেক্ষিতে ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের বিচারও সম্পন্ন হয়। পরে আজকের এই দিনটিকে প্রতিবছর ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ হিসাবে পালন করা হচ্ছে।
ইয়াসমিনের স্মরণে দিনাজপুর জেলা পরিষদ দশ মাইল মোড়ে একটি স্মৃতি ভাস্কর্য স্থাপন করে এবং তার পাশে ইয়াসমিন দশমাইল মোড় নামে একটি পোস্ট অফিস ও যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করেছে। দিবসটি উপলক্ষে এ বছর নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, মিছিল, ইয়াসমিনের কবর জিয়ারত, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা।
ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে সিআইডি ’৯৬ সালে এসআই মইনুল, কনস্টেবল সাত্তার, ড্রাইভার অমৃত লাল, কোতয়ালী থানার ওসি মাহাতাব উদ্দীন, এএসআই জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই স্বপন চক্রবর্তী, এএসআই মতিউর রহমান (ওসি ওয়াচ) এবং এসপি আব্দুল মোতালেবকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করা হয়। পরে নিম্ন আদালত মইনুল, সাত্তার এবং অমৃতের ফাঁসির নির্দেশ দেন। অন্য আসামিরা খালাস পায়। পহেলা সেপ্টেম্বর ২০০৪ সালে এসআই মইনুল ও কনস্টেবল সাত্তারের ফাঁসি কার্যকর হয়। পরে ড্রাইভার অমৃত লালের ফাঁসিও কার্যকর করা হয়।
