শিশুর গোসল

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৪, ২০:০৮
একজন মায়ের জন্য পৃথিবীর সেরা উপহার সন্তান। সন্তানকে নিয়ে মায়ের চিন্তা ভাবনার শেষ নেই। শুধু মায়ের কথাই বা বলছি কেন বাবার চিন্তাও কি কম! শিশুর দেখভালতো দুজনেই করে থাকেন। একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শিশুকে কেউ না কেউ গোসল করিয়ে দিতে হয়। শিশুকে গোসল করানোর সময় খেয়াল থাকা চাই—  শিশুকে বাথটাবে গোসল করানোর আগে টাবে পানি প্রবাহ বন্ধ রাখুন। এসময় পানির প্রবাহ থাকলে শিশুর নাকে মুখে পানি ঢুকে যেতে পারে। সেজন্য গোসলের আগেই পর্যাপ্ত গরম ও ঠাণ্ডা পানি শিশুর বয়স ও চাহিদা অনুযায়ী মিশিয়ে টাব ভর্তি রাখুন।  গোসল করানোর আগে বাথটাবের ব্যাপারে সচেতন হোন। অনেক সময়ই টাব খুব পিচ্ছিল হয়ে থাকে। যা শিশুর কোন বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। পানি যাতে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা অতিরিক্ত গরম না হয় সে ব্যাপারে নিশ্চিত হোন।  শিশু একটু বড় হলে গোসলের সময় বাথটাবে বা যেখানে রেখে গোসল করাচ্ছেন সেখানে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। আর শিশু যদি তা করে তবে শক্ত করে শিশুকে ধরে রাখুন। একা একা দাঁড়াতে চেষ্টা করলে তার পা পিছলে যেতে পারে।  শিশুর গোসলে বেবি সোপ ব্যবহার করাতে পারলে ভালো। সাবান ও শ্যাম্পু যাতে খুব কোমল প্রকৃতির হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। অতিরিক্ত ক্ষার মিশ্রিত সাবান শিশুর চর্মরোগের কারণ হতে পারে। তার শরীরে সাবান দেবার সময় হাতে গ্লাভস পড়ে নিন। তবে সাবান যাতে শিশুর চোখের বা কানের ভেতর প্রবেশ না করতে পারে।  শিশুর গোসলে সাদা রঙের সাবান ব্যবহার করুন। কারণ রঙ্গীন সাবানে ক্ষার বেশি থাকে। গোসল করানোর বিরতি দিয়ে শিশুকে একা রেখে কোথাও যাবেন না। শিশুর গোসলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যা লাগে সমস্ত উপাদান হাতের কাছে নিয়ে শিশুকে গোসল করাতে বসুন। অন্য কোন দিকে এ সময় মন দেওয়া চলবে না।  নরম টাওয়াল দিয়ে শিশুর শরীর মুছে দিন। শরীর শুকিয়ে গেলে বেবি লোশন, অথবা জলপাই তেল শিশুর শরীরে আস্তে আস্তে মালিশ করে দিন। কম সময়ে শিশুর গোসল সেরে ফেলার চেষ্টা করুন। নাহলে সোনামণির ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে।