পা ঠ কে র ক থা ...................

ছুটিতে ঘুরে আসা

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৪, ২০:০৮
ছুটিতে বেড়াতে যাওয়া, দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখা পরিবার নিয়ে এটা আমাদের দেশে খুব কমই দেখা যায়। বিশেষ করে পরিবারের ছোট সদস্যদের এই সুযোগ নেই বললেই চলে। বাবা-মাকে অনেক বলে বলে এবার ছুটিতে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলাম এবং এটা আমার জীবনে প্রথম ঘুরতে যাওয়া। এবার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ভাল হওয়া ও গ্রীষ্মের ছুটি পাশাপাশি হওয়ায় আমার সেজ খালার পরিবারের সাথে চলে যাই কিছু কিছু দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার উদ্দেশ্যে। প্রথমে যাই কিশোরগঞ্জ। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগা মাঠ শোলাকিয়া দেখতে এবং তারপর চন্দ্রাবতী। ঈশা খাঁর দুর্গ, পাগলা মসজিদ। এভাবে একটার পর একটা জায়গা ঘুরে ঘুরে সবশেষে যাই কিশোরগঞ্জের মহামান্য রাষ্ট্রপতির নামে যে চমত্কার একটি মেডিক্যাল কলেজ হয়েছে সেটা দেখতে। কলেজটির প্রথম ব্যাচ ভর্তি শেষ। যদিও কলেজের বিল্ডিং, ক্যাম্পাস, লাইব্রেরী এসব এখনো সম্পূর্ণ হয়নি কিন্তু এতো বিশাল জায়গা নিয়ে তৈরি হচ্ছে মেডিক্যাল কলেজটি আমার মনে হলো যে, এটি হবে বাংলাদেশের সর্ববৃহত্ ক্যাম্পাস মেডিক্যাল কলেজ। সৌভাগ্যবশত মেডিক্যাল কলেজে অধ্যক্ষ ডা. নৌশাদ খানের সাথে দেখা। তিনি আমাদের আন্তরিকভাবে কলেজ চত্বরটি ঘুরে দেখালেন। দেখতে পেলাম মানুষের কঙ্কালসহ মানব শরীরের বিভিন্ন কিছু যা ডাক্তারি পড়ার জন্য প্রয়োজন এবং সেখান থেকে অনুপ্রেরণা পেলাম আমিও ডাক্তারি পড়বো। আমার নানা অভিজ্ঞতা অর্জন থেকে মনে হলো এতো বছর ঘরে থেকে যতোটা পুথিগত বিদ্যা নানা পরিবেশে অর্জন করেছি কিশোরগঞ্জের নানা জায়গা মাত্র তিনদিনে ঘুরে বেড়ানোয় তার বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। ভ্রমণের সাথে সাথে ডাক্তারি পড়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছি মনে। আব্দুল হামিদ মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসের নানা ফল ও ওষুধি গাছ দেখে মনে হয়েছে, এমন পরিবেশে প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর পড়ালেখা করা এবং ঘুরতে আসা প্রয়োজন। — জাফরিন লোবান ফারিয়া ময়মনসিংহ।